ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু, বিপাকে উপকূলীয় জেলেরা

বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন সাগরে সব ধরনের মৎস্য আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সামুদ্রিক মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই প্রতিবছর এই সময়টিতে অবরোধ পালন করা হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে এই নিষেধাজ্ঞা কেবল বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের জন্য থাকলেও ২০১৯ সাল থেকে সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ট্রলারকে এর আওতায় আনা হয়েছে। গত বছর ভারতের সাথে সময়সীমা সমন্বয় করে এই নিষেধাজ্ঞা সাত দিন কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়, যা চলতি বছরেও কার্যকর রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন নিবন্ধিত সমুদ্রগামী জেলেদের জীবিকা সুরক্ষায় বিশেষ খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে সরকার। উপকূলীয় ১৪টি জেলার ৩ লাখ ১১ হাজারের বেশি জেলের জন্য প্রতি মাসে ৪০ কেজি হারে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে জেলেদের দাবি, বাংলাদেশের জলসীমায় অবরোধ চলাকালে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

সাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু, বিপাকে উপকূলীয় জেলেরা

আপডেট সময় : ১০:১২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন সাগরে সব ধরনের মৎস্য আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সামুদ্রিক মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই প্রতিবছর এই সময়টিতে অবরোধ পালন করা হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে এই নিষেধাজ্ঞা কেবল বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের জন্য থাকলেও ২০১৯ সাল থেকে সব ধরনের ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ট্রলারকে এর আওতায় আনা হয়েছে। গত বছর ভারতের সাথে সময়সীমা সমন্বয় করে এই নিষেধাজ্ঞা সাত দিন কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়, যা চলতি বছরেও কার্যকর রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন নিবন্ধিত সমুদ্রগামী জেলেদের জীবিকা সুরক্ষায় বিশেষ খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে সরকার। উপকূলীয় ১৪টি জেলার ৩ লাখ ১১ হাজারের বেশি জেলের জন্য প্রতি মাসে ৪০ কেজি হারে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে জেলেদের দাবি, বাংলাদেশের জলসীমায় অবরোধ চলাকালে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।