জাপানের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) বড় ধরনের বিজয়ের পথে এগোচ্ছে বলে বিভিন্ন নির্বাচনী জরিপ ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ ও কর হ্রাসের নীতি অব্যাহত রাখার পথকে আরও সুগম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের জরিপ অনুযায়ী, ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে এলডিপি ২৩৩ আসনের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে। বর্তমানে দলটি ১৯৮ আসন ধরে রেখেছে। এলডিপির প্রধান জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি (ইশিন) সহ শাসক জোট ৩০০ আসন পর্যন্ত জিততে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এলডিপির এই সম্ভাব্য বিজয় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘প্রোঅ্যাকটিভ’ অর্থনৈতিক নীতি, যেমন সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর হ্রাসের মতো বিষয়গুলো কার্যকরভাবে চালিয়ে যাবেন।
অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল সেন্ট্রিস্ট রিফর্ম অ্যালায়েন্স বর্তমানে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন এবং তাদের ১৬৭ আসনের অর্ধেকের বেশি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি গত মাসে সংসদ ভেঙে দিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি একটি অপ্রত্যাশিত নির্বাচনের ঘোষণা দেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য তাঁর সম্প্রসারণমূলক নীতি বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সমর্থন আদায় করা। বর্তমানে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন জোট নিম্নকক্ষে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে, যদিও উচ্চকক্ষে তারা সংখ্যালঘু।
উল্লেখ্য, গত মাসে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি দুই বছরের জন্য খাদ্যপণ্যের ওপর আরোপিত ৮% কর স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই সময় জাপানি বাজারে একটি বড় ধরনের ধস দেখা দিয়েছিল, যা দেশটির ঋণ ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।
রিপোর্টারের নাম 























