চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখা। দলটির নারী নেত্রীরা পটিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন এবং নিজেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী কার্যক্রমে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নানা ধারণা থাকলেও, পটিয়ায় তাদের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
সম্প্রতি পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, কচুয়াই, খরনা ও কেলিশহর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় এই গণসংযোগ ও প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহিলা জামায়াতের নেত্রীরা ভোটারদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জন্য সমর্থন চেয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি কামরুন নাহার বেগম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্যা আসমা সিদ্দিকা, জেলার কর্মী সাঈমা আকতার, পটিয়া উপজেলা মহিলা জামায়াতের নেত্রী শাহীন আকতার, থানা সহ-সেক্রেটারি মাহমুদা আকতার, বড়লিয়া ইউনিয়ন দায়িত্বশীল রুখসানা আকতার, কেলিশহর ইউনিয়ন দায়িত্বশীল ইয়াসমিন আকতার, হাইদগাঁও ইউনিয়নের সহযোগী সদস্য জোলেখা বেগম এবং ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ছনহরা ইউনিয়নের দায়িত্বশীল লিজা আকতারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মহিলা জামায়াতের কার্যক্রম সীমিত ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের নিয়মিত কর্মসূচি আবারও শুরু হয়েছে এবং আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। জামায়াত মনে করে, পটিয়া একটি সম্ভাবনাময় এলাকা এবং এখানে জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি মহিলা জামায়াত ও ছাত্রী সংস্থাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। জোটের প্রার্থী নির্ধারণে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় প্রচারণায় খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও, এখন তারা জোর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন।
প্রচারণা প্রসঙ্গে পটিয়া উপজেলা মহিলা জামায়াতের নেত্রী শাহীন আকতার বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। জামায়াতে ইসলামীর চার দফা কর্মসূচির একটি অংশই হলো নির্বাচনের বিষয়টি। আমরা নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি এবং মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। পটিয়ার মা-বোনেরা সৎ লোককেই নির্বাচিত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”
রিপোর্টারের নাম 





















