সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় ৯ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। বহিষ্কৃতদের মধ্যে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতারা রয়েছেন।
শনিবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতারা সিলেট-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মামুনুর রশিদ ওরফে চাকসু মামুনের পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন। জকিগঞ্জ উপজেলা থেকে বহিষ্কৃত চার নেতা হলেন—উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম, যুগ্ম সম্পাদক মাসুক আহমদ, সদস্য রিপন আহমদ এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ।
অন্যদিকে, কানাইঘাট উপজেলা ও ইউনিয়নের বহিষ্কৃত পাঁচ নেতা হলেন—উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, ২নং লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম এবং ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসেন নিমার।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে জানা যায়, সিলেট-৫ আসনে রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। তবে দলের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে (ফুটবল প্রতীক) নির্বাচনে অংশ নেন সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গত ৩০ ডিসেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তিনি নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় এবার জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের এই ৯ নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করল বিএনপি।
রিপোর্টারের নাম 






















