বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য এবং সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে সারাদেশে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে এক অভূতপূর্ব গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে পুনরায় যাতে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।
শনিবার দুপুরে সিলেট নগরীর পিডিবি পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এলাকাটি মুখরিত হয়ে ওঠে।
ভোটারদের উদ্দেশে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, “আমরা জনগণের ওপর শাসন করতে আসিনি, বরং আপনাদের খাদেম বা সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। আপনারা যদি পবিত্র আমানত হিসেবে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে আমার দুয়ার ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। ইনশাআল্লাহ, আমি সবসময় আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই জনপদের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমরা বিজয়ী হলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।”
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, মহানগর জামায়াতের ব্যবসায়ী ফোরামের সভাপতি নূরে আলম, কোতোয়ালি পশ্চিম থানার সেক্রেটারি পারভেজ আহমদ এবং মহানগর ছাত্রশিবির নেতা নাঈম হোসাইন ও এটিএম ফাহিম।
এ ছাড়াও ১০ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি দেওয়ান আজকীর আলী, সাবেক সভাপতি হাফিজ মকছুদুল করীম, ১২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. ফয়জুল ইসলাম, ১১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হাফিজ আব্দুল আলী, ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার ওলিউল ইসলাম, ১০ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জিল্লুল হক এবং জামায়াত নেতা ইফতেখার আহমদসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এই প্রচারণায় অংশ নেন।
গণসংযোগ চলাকালীন মাওলানা হাবিবুর রহমান রাস্তার দুই পাশের ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
রিপোর্টারের নাম 






















