ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে মাদারীপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আল আমিন গ্রেপ্তার

মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও রাজৈর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল আমিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন মোল্লা রাজৈর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হারুন উর রশীদের ছোট ছেলে এবং উপজেলার পশ্চিম স্বরমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. আমিনুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন মোল্লার বিরুদ্ধে রাজৈর থানায় দুটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং তিনি ওই মামলাগুলোর এজাহারভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটকের পর রাজৈর থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরবর্তীতে পুলিশের একটি বিশেষ টিম তাকে বেনাপোল থেকে নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী

ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে মাদারীপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আল আমিন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১০:২১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও রাজৈর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল আমিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন মোল্লা রাজৈর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হারুন উর রশীদের ছোট ছেলে এবং উপজেলার পশ্চিম স্বরমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. আমিনুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন মোল্লার বিরুদ্ধে রাজৈর থানায় দুটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং তিনি ওই মামলাগুলোর এজাহারভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটকের পর রাজৈর থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরবর্তীতে পুলিশের একটি বিশেষ টিম তাকে বেনাপোল থেকে নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।