ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই সনদ নিয়ে যদি বিভক্তি-বিভাজনের জায়গাটা থাকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে:নুরুল হক নুর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

গণঅধিকার পরিষদ নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) বলেছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল, বিশেষ করে জাতীয় পার্টি, যেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেজন্য যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একটা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ তো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে (আওয়ামী লীগ) প্রত্যাখ্যান করেছে। আইনগতভাবে তাদের বিচারও হচ্ছে। সুতরাং তারা যেন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ না পায়। একইভাবে, এই ফ্যাসিবাদের যারা সহযোগী (দোসর) ছিল, মানে জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের অন্যেরা—সত্যি বলতে, এদের তো শুধু নামটাই আছে, বাটি চালান দিলেও এই ১৪ দলের অফিস-টফিস খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা তো এটাই দেখেছি যে, আসল আঁতাতটা (নেক্সাস) ছিল আওয়ামী লীগ (যারা ক্ষমতায়) আর জাতীয় পার্টির (যারা বিরোধী দলে) মধ্যে। এইজন্য আমরা বিশেষ করে জাতীয় পার্টির বিষয়ে বলেছি, যেন তারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না পায় এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।” নুর জানান, নির্বাচন কমিশন উত্তরে পরিষ্কার বলেছে যে, “তারা আসলে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারে না। এই সিদ্ধান্তটা হয় সরকারকে নিতে হবে, না হলে আদালতকে দিতে হবে।”

(নুর আরও বলেন) ‘তাই আমরা সরকারের কাছেও আহ্বান জানাই। সরকার যদি সত্যিই আগামীতে একটা শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু আর নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়, তাহলে যেন আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জাতীয় পার্টিকেও এই মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারের মুখোমুখি করে। আর জাতীয় পার্টির যেসব নেতাকর্মীর নামে খুনের বা দুর্নীতির মামলা আছে, তাদের বিরুদ্ধেও যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী। আপনারা দেখছেন, ছোট-বড় সব দলের প্রার্থীরাই কিন্তু এখন পুরোদমে (ফুল সুইংয়ে) মাঠে নেমে কাজ করছেন, প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু এই সময়ে এসে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে যদি কোনো বিভেদ বা ভাগাভাগি তৈরি হয়, তাহলে কিন্তু নির্বাচনটা ঠিক সময়ে হবে না। নির্বাচনটা আটকে যাবে (বাধাগ্রস্ত হবে)। আর নির্বাচন যদি দেরি হয়, তাহলে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন, সরকার—সব মিলিয়ে পুরো দেশটাই একটা বড় বিপদে পড়বে। এইজন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকেও বলেছি যে, তাদেরও একটা ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। তারা যেন এই ব্যাপারে সরকারপ্রধানের সঙ্গেও কথা বলে।”

নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটা নিয়ম করেছে যে, দলগুলো জোট করে ভোট করলেও প্রত্যেককে নিজ নিজ দলের প্রতীকে লড়তে হবে। এই ব্যাপারে নুর বলেন, “আমরা কমিশনকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তখন তারা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, এই সিদ্ধান্তটা তো ‘ঐকমত্য কমিশনে’ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই নেওয়া হয়েছিল। …এটা জোটের একটা ভালো চর্চা, আমরাও এটাই করতে চাই এবং আমরা এটাকে ভালোভাবেই দেখি। আমরা আগেও বলেছি যে, জোট হলেও দলগুলো যার যার প্রতীকে নির্বাচন করবে। হয়তো কিছু দল বা নেতা এটাতে আপত্তি জানিয়েছেন বা জানাতে পারেন, কিন্তু আমরা এটাকে ইতিবাচকভাবেই দেখি। নির্বাচন কমিশন তো সবসময় বলেছে যে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে নির্বাচন নিয়ে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া গেছে, তারা শুধু সেগুলোই বাস্তবায়ন করছে। তারই অংশ হিসেবে এবার জোটে থাকলেও প্রার্থীরা নিজের দলের মার্কায় লড়বেন।”

গণঅধিকার পরিষদ নির্বাচনে কারও সাথে জোট করবে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা একটা নতুন দল (রাইজিং দল) হিসেবে নিজেদের গুছিয়ে তুলতে সারা দেশে ৩০০ আসনেই প্রার্থী খোঁজা, তাদের পরিচিত করানো, গণসংযোগ—এসব কাজেই ব্যস্ত আছি। আপাতত কারও সাথে জোট করার কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি। তবে কথাবার্তা (আলাপ-আলোচনা) চলছে। বিএনপির সাথে আমাদের একটা পুরোনো বন্ধুত্ব আছে। জামায়াতের সাথেও কথা চলছে। আবার, বিএনপি-জামায়াতের বাইরেও নতুন কোনো বিকল্প রাজনৈতিক জোট করা যায় কি না, তা নিয়েও অনেকের সাথে আমাদের মিটিং বা কথাবার্তা হয়। কিন্তু সত্যি বলতে, এখনো কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

(অন্তর্বর্তী সরকারের) উপদেষ্টাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে দূরে রাখা উচিত কি না—এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আগে তো এটাই নিয়ম ছিল যে, কেয়ারটেকার সরকারের সাথে যুক্ত কেউ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না। আপনারা এটাও জানেন যে, সরকারি চাকরিজীবীদেরও একটা নিয়ম আছে যে, অবসরের তিন বছরের মধ্যে তারা নির্বাচন করতে পারেন না। কাজেই, আমরা মনে করি, এই সরকারের উপদেষ্টা বা সরকারের কাছ থেকে সুবিধা পাচ্ছেন, এমন কেউ যেন এই সামনের (ইমিডিয়েট) নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে, তা না হলে এই নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে।”

নুর আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের দিনেই যদি ‘জুলাই সনদ’-এর বিষয়ে গণভোটও নিয়ে নেওয়া হয়, আমার মনে হয় সেটাই একটা ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।”

এই সময় তিনি “জাতীয় নাগরিক পার্টি”-কে ইঙ্গিত করে বলেন, “প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) বিতর্কিত করাটা ঠিক হবে না। কারণ, জুলাইয়ের পর সবার মতামত নিয়েই এই ইসি গঠন করা হয়েছে। আমাদের প্রতীক তো ‘ট্রাক’। সত্যি বলতে, আমরা এই প্রতীক চাইনি। ইসির নির্বাচন পরিচালনার যে নিয়মকানুন, তাতে যেটা ছিল, আমরা সেটাই পেয়েছি।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সাথে এই বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মোট সাতজনের একটা প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস, কাবুলসহ কিছু এলাকায় শান্তি

জুলাই সনদ নিয়ে যদি বিভক্তি-বিভাজনের জায়গাটা থাকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে:নুরুল হক নুর

আপডেট সময় : ১০:২০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদ নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) বলেছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল, বিশেষ করে জাতীয় পার্টি, যেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেজন্য যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একটা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ তো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে (আওয়ামী লীগ) প্রত্যাখ্যান করেছে। আইনগতভাবে তাদের বিচারও হচ্ছে। সুতরাং তারা যেন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ না পায়। একইভাবে, এই ফ্যাসিবাদের যারা সহযোগী (দোসর) ছিল, মানে জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের অন্যেরা—সত্যি বলতে, এদের তো শুধু নামটাই আছে, বাটি চালান দিলেও এই ১৪ দলের অফিস-টফিস খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা তো এটাই দেখেছি যে, আসল আঁতাতটা (নেক্সাস) ছিল আওয়ামী লীগ (যারা ক্ষমতায়) আর জাতীয় পার্টির (যারা বিরোধী দলে) মধ্যে। এইজন্য আমরা বিশেষ করে জাতীয় পার্টির বিষয়ে বলেছি, যেন তারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না পায় এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।” নুর জানান, নির্বাচন কমিশন উত্তরে পরিষ্কার বলেছে যে, “তারা আসলে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারে না। এই সিদ্ধান্তটা হয় সরকারকে নিতে হবে, না হলে আদালতকে দিতে হবে।”

(নুর আরও বলেন) ‘তাই আমরা সরকারের কাছেও আহ্বান জানাই। সরকার যদি সত্যিই আগামীতে একটা শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু আর নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়, তাহলে যেন আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জাতীয় পার্টিকেও এই মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারের মুখোমুখি করে। আর জাতীয় পার্টির যেসব নেতাকর্মীর নামে খুনের বা দুর্নীতির মামলা আছে, তাদের বিরুদ্ধেও যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী। আপনারা দেখছেন, ছোট-বড় সব দলের প্রার্থীরাই কিন্তু এখন পুরোদমে (ফুল সুইংয়ে) মাঠে নেমে কাজ করছেন, প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু এই সময়ে এসে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে যদি কোনো বিভেদ বা ভাগাভাগি তৈরি হয়, তাহলে কিন্তু নির্বাচনটা ঠিক সময়ে হবে না। নির্বাচনটা আটকে যাবে (বাধাগ্রস্ত হবে)। আর নির্বাচন যদি দেরি হয়, তাহলে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন, সরকার—সব মিলিয়ে পুরো দেশটাই একটা বড় বিপদে পড়বে। এইজন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকেও বলেছি যে, তাদেরও একটা ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। তারা যেন এই ব্যাপারে সরকারপ্রধানের সঙ্গেও কথা বলে।”

নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটা নিয়ম করেছে যে, দলগুলো জোট করে ভোট করলেও প্রত্যেককে নিজ নিজ দলের প্রতীকে লড়তে হবে। এই ব্যাপারে নুর বলেন, “আমরা কমিশনকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তখন তারা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, এই সিদ্ধান্তটা তো ‘ঐকমত্য কমিশনে’ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই নেওয়া হয়েছিল। …এটা জোটের একটা ভালো চর্চা, আমরাও এটাই করতে চাই এবং আমরা এটাকে ভালোভাবেই দেখি। আমরা আগেও বলেছি যে, জোট হলেও দলগুলো যার যার প্রতীকে নির্বাচন করবে। হয়তো কিছু দল বা নেতা এটাতে আপত্তি জানিয়েছেন বা জানাতে পারেন, কিন্তু আমরা এটাকে ইতিবাচকভাবেই দেখি। নির্বাচন কমিশন তো সবসময় বলেছে যে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে নির্বাচন নিয়ে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া গেছে, তারা শুধু সেগুলোই বাস্তবায়ন করছে। তারই অংশ হিসেবে এবার জোটে থাকলেও প্রার্থীরা নিজের দলের মার্কায় লড়বেন।”

গণঅধিকার পরিষদ নির্বাচনে কারও সাথে জোট করবে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা একটা নতুন দল (রাইজিং দল) হিসেবে নিজেদের গুছিয়ে তুলতে সারা দেশে ৩০০ আসনেই প্রার্থী খোঁজা, তাদের পরিচিত করানো, গণসংযোগ—এসব কাজেই ব্যস্ত আছি। আপাতত কারও সাথে জোট করার কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি। তবে কথাবার্তা (আলাপ-আলোচনা) চলছে। বিএনপির সাথে আমাদের একটা পুরোনো বন্ধুত্ব আছে। জামায়াতের সাথেও কথা চলছে। আবার, বিএনপি-জামায়াতের বাইরেও নতুন কোনো বিকল্প রাজনৈতিক জোট করা যায় কি না, তা নিয়েও অনেকের সাথে আমাদের মিটিং বা কথাবার্তা হয়। কিন্তু সত্যি বলতে, এখনো কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

(অন্তর্বর্তী সরকারের) উপদেষ্টাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে দূরে রাখা উচিত কি না—এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আগে তো এটাই নিয়ম ছিল যে, কেয়ারটেকার সরকারের সাথে যুক্ত কেউ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না। আপনারা এটাও জানেন যে, সরকারি চাকরিজীবীদেরও একটা নিয়ম আছে যে, অবসরের তিন বছরের মধ্যে তারা নির্বাচন করতে পারেন না। কাজেই, আমরা মনে করি, এই সরকারের উপদেষ্টা বা সরকারের কাছ থেকে সুবিধা পাচ্ছেন, এমন কেউ যেন এই সামনের (ইমিডিয়েট) নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে, তা না হলে এই নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে।”

নুর আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের দিনেই যদি ‘জুলাই সনদ’-এর বিষয়ে গণভোটও নিয়ে নেওয়া হয়, আমার মনে হয় সেটাই একটা ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।”

এই সময় তিনি “জাতীয় নাগরিক পার্টি”-কে ইঙ্গিত করে বলেন, “প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) বিতর্কিত করাটা ঠিক হবে না। কারণ, জুলাইয়ের পর সবার মতামত নিয়েই এই ইসি গঠন করা হয়েছে। আমাদের প্রতীক তো ‘ট্রাক’। সত্যি বলতে, আমরা এই প্রতীক চাইনি। ইসির নির্বাচন পরিচালনার যে নিয়মকানুন, তাতে যেটা ছিল, আমরা সেটাই পেয়েছি।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সাথে এই বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মোট সাতজনের একটা প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।