গাজা থেকে জিম্মিদের উদ্ধার অভিযান সফল হওয়ার পর ইসরাইল তার যুদ্ধবিরতির শর্তাবলীতে নতুন অবস্থান গ্রহণ করেছে। তেল আবিবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপগুলো এগোবে না।
ইসরাইলের এই নতুন অবস্থানে জিম্মি মুক্তি ও যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, হামাস প্রকাশ্যে তাদের অস্ত্র জমা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো মধ্যস্থতাকারী দেশ তাদের কাছে এখনো পর্যন্ত নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেনি।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ‘শিন বেত’-এর সাবেক প্রধান আভি ডিখটার সতর্ক করে বলেছেন, নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে এই অচলাবস্থা গাজায় পুনরায় যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তিনি রয়টার্সকে আরও জানান, “আমাদের গাজায় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” ডিখটার আরও উল্লেখ করেন যে, নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি “ইসরাইলি সেনাদের দ্বারা কঠিন পথে সমাধান করতে হবে।”
এই পরিস্থিতিতে, গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউস কর্তৃক প্রকাশিত একটি নথি অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন গাজায় ভারী অস্ত্রের ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করার পক্ষে। পাশাপাশি, একটি অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাটিক প্রশাসনের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য “ব্যক্তিগত অস্ত্র নিবন্ধিত করে পর্যায়ক্রমে বাতিল” করার প্রস্তাবও রয়েছে। এই প্রস্তাবগুলো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























