এজন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এ জনসভা, পথসভা ও সমাবেশের জন্য নতুন সাতটি নিয়ম যুক্ত করেছে। নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত রাখতেই আচরণ বিধিমালায় এই নিয়মগুলো যোগ করা হয়েছে। এর ফলে, প্রচারণার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা জানা থাকলে সব প্রার্থী যেমন সমান সুযোগ পাবেন, তেমনি সাধারণ মানুষের চলাচল ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখাও সহজ হবে।
নির্দেশনাগুলো হলো:
১. সমান অধিকার: প্রচারণায় সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। তবে তারা একে অপরকে কোনোভাবেই বাধা দিতে বা ভয় দেখাতে পারবেন না। ২. প্রচার পরিকল্পনা: নির্বাচনি প্রচার শুরুর আগেই, রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে তাদের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে এবং কর্তৃপক্ষ সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ৩. লিখিত অনুমতি: জনসভা বা সমাবেশ আয়োজন করতে হলে অবশ্যই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে এবং সেই অনুমতিপত্র স্থানীয় নির্বাচন কমিশনেও জমা দিতে হবে। ৪. পুলিশকে জানানো: জনসভা বা পথসভা আয়োজনের অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে তার স্থান ও সময় সম্পর্কে পুলিশকে জানাতে হবে, যাতে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। ৫. চলাচলে বিঘ্ন: রাস্তা বা মহাসড়কের মতো জায়গায়, যেখানে সাধারণ মানুষের চলাচলে অসুবিধা হয়, সেখানে কোনো জনসভা বা সমাবেশ করা যাবে না। ৬. গোলযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: যদি কোনো ব্যক্তি বা দল জনসভায় গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে আয়োজকদের দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে এবং পুলিশ সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ৭. বিদেশে প্রচারণা নিষিদ্ধ: কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী দেশের বাইরে কোনো ধরনের জনসভা বা নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন না।
এর আগে সোমবার (২৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলেন, ‘যদি শতাংশের হিসাবে বলি, তাহলে ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধন শেষ হলেই প্রস্তুতি শতভাগ হয়ে যাবে। আমরা আমাদের কর্ম পরিকল্পনা থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাকি সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’
রিপোর্টারের নাম 
























