মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর চীন মৈত্রী হাসপাতাল হবে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্র: প্রধান উপদেষ্টা

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সভায় অনুমোদন পেয়েছে। রোববার একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উদ্যোগে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ সময়কালে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় দুই হাজার ৪৫৯ দশমিক ৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ১৭৯ দশমিক ২৭ কোটি টাকা এবং বাকি অংশ চীনা অনুদান সহায়তা।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের মার্চ মাসে চীন সফরকালে বাংলাদেশে একটি উন্নত হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে চীন এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ’: উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের

নীলফামারীর চীন মৈত্রী হাসপাতাল হবে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্র: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সভায় অনুমোদন পেয়েছে। রোববার একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উদ্যোগে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ সময়কালে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় দুই হাজার ৪৫৯ দশমিক ৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ১৭৯ দশমিক ২৭ কোটি টাকা এবং বাকি অংশ চীনা অনুদান সহায়তা।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের মার্চ মাসে চীন সফরকালে বাংলাদেশে একটি উন্নত হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে চীন এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।