ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ঘোষণার পরই গাজার বিভিন্ন জায়গায় বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়, যাতে অন্তত ২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই তথ্যটি আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আল জাজিরা আরও জানিয়েছে, গত ১০ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তারপর থেকে মঙ্গলবারের এই হামলাই ছিল সবচেয়ে মারাত্মক।
হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডস একটি বিবৃতি দিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। তারা আরও জানিয়েছে যে, নিখোঁজ থাকা একজন জিম্মির মরদেহ হস্তান্তরের যে পরিকল্পনা ছিল, তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসন যদি এভাবেই চলতে থাকে, তবে মৃতদেহ অনুসন্ধান, খনন এবং উদ্ধারের কাজ বাধাগ্রস্ত হবে। এর ফলে গাজায় থাকা বাকি ১৩ জন জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হতে পারে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, সাম্প্রতিক হামলা এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখনও বলবৎ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে, ছোটখাটো সংঘাত হবে না। আমরা জানি যে হামাস বা গাজার অন্য কোনো গোষ্ঠী একজন ইসরায়েলি সেনার ওপর হামলা করেছে। ইসরায়েল যে এর প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা স্বাভাবিক। তবে আমরা বিশ্বাস করি, প্রেসিডেন্টের করা এই শান্তিচুক্তিটি টিকে থাকবে।’
তবে হামাস রাফাহ অঞ্চলে ঘটা ওই হামলায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























