ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

উইলিয়ামসন-নিশামের ব্যাটে লড়াকু সংগ্রহ রাজশাহীর, সিলেটের সামনে ১৬৬ রানের লক্ষ্য

ফাইনালে ওঠার অঘোষিত সেমিফাইনালে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে তারা। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দুই নিউজিল্যান্ড তারকা কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই মূলত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দারুণ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজশাহীর দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লে-তে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চড়াও হন তারা। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান যোগ করার পথে সাহিবজাদা ফারহান ২১ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস। পাওয়ার প্লে শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৬১ রান। শুরুর এই ঝোড়ো গতি দেখে মনে হচ্ছিল বড় কোনো সংগ্রহের পথে হাঁটছে দলটি।

তবে মাঝপথে হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপে। নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মেহেরব হোসেন দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে যায় দলটি। মাত্র ৮০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে যখন বিপর্যয়ে ধুঁকছিল রাজশাহী, তখন হাল ধরেন দুই কিউই ব্যাটার কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই স্বদেশি মিলে গড়েন ৭৭ রানের অনবদ্য এক জুটি।

জিমি নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রানের মারকুটে ইনিংস খেলে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে দলের স্কোর এগিয়ে নেন কেন উইলিয়ামসন। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৪৫ রান করে দলকে ১৬৫ রানের সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন কিংবা তানজিম সাকিবরা তেমন কোনো অবদান রাখতে না পারলেও উইলিয়ামসন-নিশামের জুটির ওপর ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি নিশ্চিত হয় রাজশাহীর।

সিলেট টাইটান্সের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন সালমান ইরশাদ। তিনি ২৩ রান খরচায় শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নিয়ে রাজশাহীর রানের গতি টেনে ধরার চেষ্টা করেন। ফাইনালে যাওয়ার টিকিট নিশ্চিত করতে সিলেট টাইটান্সকে এখন করতে হবে ১৬৬ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ১৬৫/৯ (২০ ওভার); উইলিয়ামসন ৪৫, নিশাম ৪৪, তানজিদ ৩২।
বোলিং (সিলেট): সালমান ৩/২৩, মিরাজ ২/২৪, নাসুম ২/২৬।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাক্তন মন্ত্রীর হত্যাকাণ্ডের পর: ইরানে নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ

উইলিয়ামসন-নিশামের ব্যাটে লড়াকু সংগ্রহ রাজশাহীর, সিলেটের সামনে ১৬৬ রানের লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ফাইনালে ওঠার অঘোষিত সেমিফাইনালে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে তারা। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দুই নিউজিল্যান্ড তারকা কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই মূলত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দারুণ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজশাহীর দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লে-তে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চড়াও হন তারা। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান যোগ করার পথে সাহিবজাদা ফারহান ২১ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস। পাওয়ার প্লে শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৬১ রান। শুরুর এই ঝোড়ো গতি দেখে মনে হচ্ছিল বড় কোনো সংগ্রহের পথে হাঁটছে দলটি।

তবে মাঝপথে হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপে। নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মেহেরব হোসেন দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে যায় দলটি। মাত্র ৮০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে যখন বিপর্যয়ে ধুঁকছিল রাজশাহী, তখন হাল ধরেন দুই কিউই ব্যাটার কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই স্বদেশি মিলে গড়েন ৭৭ রানের অনবদ্য এক জুটি।

জিমি নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রানের মারকুটে ইনিংস খেলে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে দলের স্কোর এগিয়ে নেন কেন উইলিয়ামসন। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৪৫ রান করে দলকে ১৬৫ রানের সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন কিংবা তানজিম সাকিবরা তেমন কোনো অবদান রাখতে না পারলেও উইলিয়ামসন-নিশামের জুটির ওপর ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি নিশ্চিত হয় রাজশাহীর।

সিলেট টাইটান্সের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন সালমান ইরশাদ। তিনি ২৩ রান খরচায় শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নিয়ে রাজশাহীর রানের গতি টেনে ধরার চেষ্টা করেন। ফাইনালে যাওয়ার টিকিট নিশ্চিত করতে সিলেট টাইটান্সকে এখন করতে হবে ১৬৬ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ১৬৫/৯ (২০ ওভার); উইলিয়ামসন ৪৫, নিশাম ৪৪, তানজিদ ৩২।
বোলিং (সিলেট): সালমান ৩/২৩, মিরাজ ২/২৪, নাসুম ২/২৬।