আসন্ন গণভোটে নাগরিকরা তাদের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য কাউকে কোনো প্রকার বাধ্যবাধকতা বা চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
সোমবার মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গণভোট বিষয়ক এক সচেতনতামূলক প্রচার কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ভোটাররা চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন, এখানে সংক্ষুব্ধ হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।
বিগত শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে ফাওজুল কবির খান বলেন, দেশ দীর্ঘ সময় ধরে একদলীয় এবং এক ব্যক্তির শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট ছিল। সেই স্বৈরাচারী ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেতেই ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই নির্বাচন বা জনমত যাচাইয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা দেশজুড়ে এলপিজি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও বর্তমান সংকট নিয়ে প্রশ্ন করলে উপদেষ্টা জানান, এলপিজি খাতের বাজার মূলত বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে। দেশের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ করে থাকে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে এলপিজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
গ্যাসের সাময়িক সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু নির্দিষ্ট জাহাজে এলপিজি আমদানিতে জটিলতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে বাজারে এই সাময়িক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
সচেতনতামূলক এই প্রচার কর্মসূচিতে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলমসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























