ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান উপদেষ্টা ফারুকী আজমের

বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে সর্বস্তরের জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুকী আজম, বীর প্রতীক। সোমবার জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে প্রশাসনের প্রস্তুতি পর্যালোচনায় এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন।

উপদেষ্টা ফারুকী আজম তার বক্তব্যে রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাধীন বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সংস্কার এখন সময়ের দাবি। বিগত সময়ের দমনমূলক ও বৈষম্যমূলক শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে একটি সাম্যভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তিনি আসন্ন গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সভায় জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

নির্বাচনি প্রস্তুতি সম্পর্কে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন সব ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে এজলাসে বিচারকের ছোড়া পেপারওয়েটের আঘাতে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান উপদেষ্টা ফারুকী আজমের

আপডেট সময় : ১০:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে সর্বস্তরের জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুকী আজম, বীর প্রতীক। সোমবার জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে প্রশাসনের প্রস্তুতি পর্যালোচনায় এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন।

উপদেষ্টা ফারুকী আজম তার বক্তব্যে রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাধীন বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সংস্কার এখন সময়ের দাবি। বিগত সময়ের দমনমূলক ও বৈষম্যমূলক শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে একটি সাম্যভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তিনি আসন্ন গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সভায় জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

নির্বাচনি প্রস্তুতি সম্পর্কে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন সব ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।