ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন শুল্ক: ইইউর কঠোর পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি আয়ারল্যান্ডের

ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে মার্কিন শুল্ক আরোপের হুমকি বাস্তবে রূপ নিলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবশ্যই কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করেছেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন। তবে, এই মুহূর্তে ইইউর শক্তিশালী ‘জবরদস্তি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ বা অ্যান্টি-কোয়ার্শন ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করা সমীচীন হবে না বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ এই নেতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে ইইউ এর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তাঁর মতে, এমন একতরফা পদক্ষেপের মুখে ইইউর পক্ষ থেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়বে।

তবে, একইসাথে মাইকেল মার্টিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য সুরক্ষায় বিদ্যমান অন্যতম শক্তিশালী আইন, যা ‘জবরদস্তি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ নামে পরিচিত, তা এখনই প্রয়োগের বিষয়ে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, যদিও এই আইন ইইউকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চাপের মুখে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা দেয়, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি ব্যবহার করার আগে আরও গভীর বিবেচনা ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা উচিত।

পর্যবেক্ষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ায় এই পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ইইউ বরাবরই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং যেকোনো একতরফা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা এরদোয়ানের

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন শুল্ক: ইইউর কঠোর পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি আয়ারল্যান্ডের

আপডেট সময় : ০৯:২১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে মার্কিন শুল্ক আরোপের হুমকি বাস্তবে রূপ নিলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবশ্যই কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করেছেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন। তবে, এই মুহূর্তে ইইউর শক্তিশালী ‘জবরদস্তি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ বা অ্যান্টি-কোয়ার্শন ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করা সমীচীন হবে না বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ এই নেতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে ইইউ এর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তাঁর মতে, এমন একতরফা পদক্ষেপের মুখে ইইউর পক্ষ থেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়বে।

তবে, একইসাথে মাইকেল মার্টিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য সুরক্ষায় বিদ্যমান অন্যতম শক্তিশালী আইন, যা ‘জবরদস্তি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ নামে পরিচিত, তা এখনই প্রয়োগের বিষয়ে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, যদিও এই আইন ইইউকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চাপের মুখে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা দেয়, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি ব্যবহার করার আগে আরও গভীর বিবেচনা ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা উচিত।

পর্যবেক্ষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ায় এই পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ইইউ বরাবরই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং যেকোনো একতরফা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।