ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে ক্ষোভ: বিচারহীনতার সংস্কৃতির শঙ্কায় বিশ্লেষকরা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণীত ‘মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ’ কার্যকর না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মানবাধিকার কর্মী ও বিশ্লেষকরা। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের ফলে অপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদিত না হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। এই অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করায় এটি এখন বাতিলের মুখে পড়েছে। এর ফলে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কার্যক্রম এবং কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মনে করছে, এতে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সংকুচিত হলো।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই আইনগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং বিদ্যমান আইসিটি আইনের মধ্যে যাতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে মানবাধিকার কমিশনের এই স্থবিরতাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়ায় একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা এরদোয়ানের

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে ক্ষোভ: বিচারহীনতার সংস্কৃতির শঙ্কায় বিশ্লেষকরা

আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণীত ‘মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ’ কার্যকর না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মানবাধিকার কর্মী ও বিশ্লেষকরা। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের ফলে অপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদিত না হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। এই অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করায় এটি এখন বাতিলের মুখে পড়েছে। এর ফলে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কার্যক্রম এবং কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মনে করছে, এতে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সংকুচিত হলো।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই আইনগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং বিদ্যমান আইসিটি আইনের মধ্যে যাতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে মানবাধিকার কমিশনের এই স্থবিরতাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়ায় একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।