ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আইএমএফের ঋণের কিস্তি নিয়ে আলোচনা চলমান, দ্রুত সমাধানের আশা অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে কোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়নি, বরং আলোচনা ফলপ্রসূভাবে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফের সদর দপ্তরে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ব্যাংক খাতের সংস্কার বা রাজস্ব আদায়ে ধীরগতির কারণে ঋণ ছাড় স্থগিত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে খবর বেরিয়েছে, তাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ঋণের কিস্তি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যমান সকল জটিলতা নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, আইএমএফের সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ঋণের বেশ কিছু অংশ পেয়েছে। বর্তমানে ১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে, যার মধ্যে চলতি অর্থবছরের জুনের মধ্যেই বড় একটি অংশ পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সরকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের ধীরগতিতে আইএমএফের কিস্তি স্থগিত, বাংলাদেশের ঋণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

আইএমএফের ঋণের কিস্তি নিয়ে আলোচনা চলমান, দ্রুত সমাধানের আশা অর্থমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে কোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়নি, বরং আলোচনা ফলপ্রসূভাবে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফের সদর দপ্তরে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ব্যাংক খাতের সংস্কার বা রাজস্ব আদায়ে ধীরগতির কারণে ঋণ ছাড় স্থগিত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে খবর বেরিয়েছে, তাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ঋণের কিস্তি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যমান সকল জটিলতা নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, আইএমএফের সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ঋণের বেশ কিছু অংশ পেয়েছে। বর্তমানে ১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে, যার মধ্যে চলতি অর্থবছরের জুনের মধ্যেই বড় একটি অংশ পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সরকার।