ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক বাণিজ্য সুরক্ষাবাদের মুখে ইইউ-মার্কোসুরের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর

বৈশ্বিক বাণিজ্য সুরক্ষাবাদ ও শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং দক্ষিণ আমেরিকার মার্কোসুর জোট একটি যুগান্তকারী বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শনিবার প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনে এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয়।

এই চুক্তি বিশ্বজুড়ে চলমান বাণিজ্য অনিশ্চয়তা এবং সুরক্ষাবাদী নীতির বিপরীতে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যখন বিভিন্ন দেশ শুল্ক আরোপ ও পাল্টা শুল্ক আরোপের মাধ্যমে এক ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করছে, তখন ইইউ ও মার্কোসুরের এই জোটবদ্ধতা মুক্ত বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইইউ এবং মার্কোসুরের মধ্যে এই বিশাল চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ফলে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল তৈরি হবে। এর মাধ্যমে দুই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পণ্য ও সেবার আদান-প্রদান সহজ হবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তি উভয় পক্ষের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে। এটি এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় হরমুজ প্রণালি এড়াচ্ছে পণ্যবাহী জাহাজ

বৈশ্বিক বাণিজ্য সুরক্ষাবাদের মুখে ইইউ-মার্কোসুরের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট সময় : ০৭:০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

বৈশ্বিক বাণিজ্য সুরক্ষাবাদ ও শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং দক্ষিণ আমেরিকার মার্কোসুর জোট একটি যুগান্তকারী বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শনিবার প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনে এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয়।

এই চুক্তি বিশ্বজুড়ে চলমান বাণিজ্য অনিশ্চয়তা এবং সুরক্ষাবাদী নীতির বিপরীতে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যখন বিভিন্ন দেশ শুল্ক আরোপ ও পাল্টা শুল্ক আরোপের মাধ্যমে এক ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করছে, তখন ইইউ ও মার্কোসুরের এই জোটবদ্ধতা মুক্ত বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইইউ এবং মার্কোসুরের মধ্যে এই বিশাল চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ফলে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল তৈরি হবে। এর মাধ্যমে দুই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পণ্য ও সেবার আদান-প্রদান সহজ হবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তি উভয় পক্ষের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে। এটি এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।