ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

‘আমরা সবাই হাদি হব’ স্লোগানের মর্মার্থ: শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও সংগ্রাম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

গত ১৮ ডিসেম্বর চলে গেলেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদি। তাঁর প্রয়াণে দেশের তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন মহলে ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’ কিংবা ‘আমরা সবাই হাদি হব, যুগে যুগে লড়ে যাব’—এমন স্লোগান ধ্বনিত হচ্ছে। তবে এই স্লোগানগুলোর গভীরতা অনুধাবন করা এবং হাদির আদর্শকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করা একটি বিস্তৃত সংগ্রামের নাম। কেবল গুলির মুখে কথা বলা নয়, ওসমান হাদি হয়ে ওঠার পথটি ছিল জ্ঞান, যুক্তি, প্রজ্ঞা ও নিরন্তর আত্মোন্নয়নের।

শহীদ ওসমান হাদির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল অদম্য সাহস। তবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তিনি কী বলতেন এবং কীভাবে বলতেন। তথ্য, যুক্তি ও অসাধারণ বাচনভঙ্গির এক বিরল মিশেলে তিনি তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করতেন। কোনো বিতর্কেই তাঁকে পরাস্ত করা কঠিন ছিল। এই অনন্য যোগ্যতা অর্জনের জন্যেই তিনি আজ স্মরণীয়। যারা তাঁর আদর্শ ধারণ করতে চান, তাদের এই গুণগুলো অর্জনে সর্বাত্মক চেষ্টা করা উচিত।

হাদির বেড়ে ওঠার পেছনে তাঁর পরিবারের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। শৈশব থেকেই তিনি ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে শিখেছিলেন। ছোটবেলায়ই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মিছিলে অংশ নিতেন এবং সমাজ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে জড়িত একটি সংগঠনের কার্যালয়ে নেতাদের আলোচনা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। পরিবারে এমন পরিবেশ না থাকলে কেবল পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারকে জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ এড়িয়ে চললে হাদির মতো ব্যক্তিত্ব তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। তাই, যারা হাদির আদর্শে অনুপ্রাণিত, তাদের উচিত নিজেদের সন্তানদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে তারা ছোটবেলা থেকেই দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণের কথা ভাববে এবং ইনসাফের সংগ্রামে নিজেদের যুক্ত করবে।

জ্ঞানার্জন ছিল ওসমান হাদি হয়ে ওঠার মূল ভিত্তি। তাঁর বাবা-মা পরিবারে জ্ঞানচর্চার যে চমৎকার পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, তার প্রতিফলন শুধু হাদির মধ্যেই নয়, তাঁর ভাই-বোনদের মধ্যেও দেখা গেছে। তারা বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ওসমান হাদি নিজেও দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেছারাবাদ মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। সেখানে তিনি যেমন পরীক্ষায় মেধার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিতর্কসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে জাতীয় পর্যায়ে অনেক পুরস্কারও অর্জন করেছেন।

তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, সমাজের গভীরের সমস্যাগুলো কেবল সংসদ বা সচিবালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সংস্কৃতি, বিকৃত ইতিহাস ও ভুল ব্যাখ্যার মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। এগুলো আধিপত্যবাদী শক্তির সুপরিকল্পিত নকশার অংশ। এই শেকড় উপড়ে ফেলে সত্যকে উদ্ভাসিত করতে না পারলে সমাজে একই ধরনের ফ্যাসিবাদ বারবার ফিরে আসবে। তাই, তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি জানতেন, এই লড়াইয়ে জিততে হলে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, দক্ষতা বাড়াতে হবে এবং নিজেদের কর্মক্ষেত্রে সেরা হতে হবে। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি একবার বলেছিলেন, এমনভাবে আরবি শিখতে হবে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে ভালো অবস্থানে চাকরি পাওয়া যায়।

হাদি ভাই নিজেই এই আহ্বানের বাস্তবায়ন করেছিলেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে তাঁর গভীর অধ্যয়ন ছিল। সুলতানি আমল থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত বাংলার ইতিহাস নিয়ে তাঁর ব্যাপক পড়াশোনা ছিল। তিনি তুলে ধরেছিলেন কীভাবে ব্রিটিশবিরোধী সিপাহি বিদ্রোহের বীর হাবিলদার রজব আলীর মতো ব্যক্তিত্বদের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। ইতিহাসের বয়ান কীভাবে নির্মিত হয় এবং এর পেছনে কী ধরনের উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে বিষয়ে তিনি গভীর বিশ্লেষণ করতেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং আধিপত্যবাদী শক্তির একটি বৃহৎ কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে তারা আমাদের মননকে গোলাম বানিয়ে রাখতে চায়। তাই, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য সত্যনির্ভর ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে নতুন বয়ান নির্মাণ করা জরুরি।

এ কাজের জন্য যে বহুমুখী যোগ্যতা প্রয়োজন, তা অর্জন করাই প্রকৃত হাদি হয়ে ওঠা। তবে তিনি দুঃখ করে বলতেন, অনেকে তাঁর জন্য জীবন দিতে চাইলেও পেশাদার ক্যামেরাম্যান হওয়ার মতো সাধারণ দক্ষতা অর্জনের জন্য ফটোগ্রাফি কোর্সে ভর্তি হতে রাজি হন না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার কিছুদিন আগেও তিনি ভারত-পাকিস্তানের পতাকাকে হেয় না করে বাংলাদেশের পতাকাকে কীভাবে আরও উঁচুতে তুলে ধরা যায়, সেই চেষ্টা করার অনুরোধ করেছিলেন।

প্রকৃত হাদি হওয়ার অর্থ হলো তাঁর সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়া। কেবল গুলির মুখে কথা বলার চেয়ে নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আমাদের যুক্তি, জ্ঞান, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠা দেখে আধিপত্যবাদীদের অন্তরে কাঁপন ধরে যায়। শহীদ ওসমান হাদির যোগ্যতা দেখে তাদের যেমনটি হয়েছিল। মনে রাখতে হবে, হাদি একদিনে তৈরি হননি। ৩২ বছরে তিলে তিলে তিনি গড়ে উঠেছিলেন। হাদি ভাই যেই শিক্ষা ও পরিবেশ পেয়েছিলেন, সেটি আমাদের সন্তানদের জন্য নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। শহীদ ওসমান হাদির এই আদর্শগুলো যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই ‘আমরা সবাই হাদি হব’ স্লোগানটি সার্থক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশিষ্ট রত্ন হুরুন নাহার রশীদের জীবনাবসান, শোকস্তব্ধ আমার দেশ পরিবার

‘আমরা সবাই হাদি হব’ স্লোগানের মর্মার্থ: শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও সংগ্রাম

আপডেট সময় : ০৯:২১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গত ১৮ ডিসেম্বর চলে গেলেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদি। তাঁর প্রয়াণে দেশের তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন মহলে ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’ কিংবা ‘আমরা সবাই হাদি হব, যুগে যুগে লড়ে যাব’—এমন স্লোগান ধ্বনিত হচ্ছে। তবে এই স্লোগানগুলোর গভীরতা অনুধাবন করা এবং হাদির আদর্শকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করা একটি বিস্তৃত সংগ্রামের নাম। কেবল গুলির মুখে কথা বলা নয়, ওসমান হাদি হয়ে ওঠার পথটি ছিল জ্ঞান, যুক্তি, প্রজ্ঞা ও নিরন্তর আত্মোন্নয়নের।

শহীদ ওসমান হাদির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল অদম্য সাহস। তবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তিনি কী বলতেন এবং কীভাবে বলতেন। তথ্য, যুক্তি ও অসাধারণ বাচনভঙ্গির এক বিরল মিশেলে তিনি তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করতেন। কোনো বিতর্কেই তাঁকে পরাস্ত করা কঠিন ছিল। এই অনন্য যোগ্যতা অর্জনের জন্যেই তিনি আজ স্মরণীয়। যারা তাঁর আদর্শ ধারণ করতে চান, তাদের এই গুণগুলো অর্জনে সর্বাত্মক চেষ্টা করা উচিত।

হাদির বেড়ে ওঠার পেছনে তাঁর পরিবারের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। শৈশব থেকেই তিনি ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে শিখেছিলেন। ছোটবেলায়ই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মিছিলে অংশ নিতেন এবং সমাজ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে জড়িত একটি সংগঠনের কার্যালয়ে নেতাদের আলোচনা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। পরিবারে এমন পরিবেশ না থাকলে কেবল পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারকে জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ এড়িয়ে চললে হাদির মতো ব্যক্তিত্ব তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। তাই, যারা হাদির আদর্শে অনুপ্রাণিত, তাদের উচিত নিজেদের সন্তানদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে তারা ছোটবেলা থেকেই দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণের কথা ভাববে এবং ইনসাফের সংগ্রামে নিজেদের যুক্ত করবে।

জ্ঞানার্জন ছিল ওসমান হাদি হয়ে ওঠার মূল ভিত্তি। তাঁর বাবা-মা পরিবারে জ্ঞানচর্চার যে চমৎকার পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, তার প্রতিফলন শুধু হাদির মধ্যেই নয়, তাঁর ভাই-বোনদের মধ্যেও দেখা গেছে। তারা বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ওসমান হাদি নিজেও দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেছারাবাদ মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। সেখানে তিনি যেমন পরীক্ষায় মেধার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিতর্কসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে জাতীয় পর্যায়ে অনেক পুরস্কারও অর্জন করেছেন।

তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, সমাজের গভীরের সমস্যাগুলো কেবল সংসদ বা সচিবালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সংস্কৃতি, বিকৃত ইতিহাস ও ভুল ব্যাখ্যার মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। এগুলো আধিপত্যবাদী শক্তির সুপরিকল্পিত নকশার অংশ। এই শেকড় উপড়ে ফেলে সত্যকে উদ্ভাসিত করতে না পারলে সমাজে একই ধরনের ফ্যাসিবাদ বারবার ফিরে আসবে। তাই, তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি জানতেন, এই লড়াইয়ে জিততে হলে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, দক্ষতা বাড়াতে হবে এবং নিজেদের কর্মক্ষেত্রে সেরা হতে হবে। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি একবার বলেছিলেন, এমনভাবে আরবি শিখতে হবে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে ভালো অবস্থানে চাকরি পাওয়া যায়।

হাদি ভাই নিজেই এই আহ্বানের বাস্তবায়ন করেছিলেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে তাঁর গভীর অধ্যয়ন ছিল। সুলতানি আমল থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত বাংলার ইতিহাস নিয়ে তাঁর ব্যাপক পড়াশোনা ছিল। তিনি তুলে ধরেছিলেন কীভাবে ব্রিটিশবিরোধী সিপাহি বিদ্রোহের বীর হাবিলদার রজব আলীর মতো ব্যক্তিত্বদের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। ইতিহাসের বয়ান কীভাবে নির্মিত হয় এবং এর পেছনে কী ধরনের উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে বিষয়ে তিনি গভীর বিশ্লেষণ করতেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং আধিপত্যবাদী শক্তির একটি বৃহৎ কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে তারা আমাদের মননকে গোলাম বানিয়ে রাখতে চায়। তাই, প্রকৃত সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য সত্যনির্ভর ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে নতুন বয়ান নির্মাণ করা জরুরি।

এ কাজের জন্য যে বহুমুখী যোগ্যতা প্রয়োজন, তা অর্জন করাই প্রকৃত হাদি হয়ে ওঠা। তবে তিনি দুঃখ করে বলতেন, অনেকে তাঁর জন্য জীবন দিতে চাইলেও পেশাদার ক্যামেরাম্যান হওয়ার মতো সাধারণ দক্ষতা অর্জনের জন্য ফটোগ্রাফি কোর্সে ভর্তি হতে রাজি হন না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার কিছুদিন আগেও তিনি ভারত-পাকিস্তানের পতাকাকে হেয় না করে বাংলাদেশের পতাকাকে কীভাবে আরও উঁচুতে তুলে ধরা যায়, সেই চেষ্টা করার অনুরোধ করেছিলেন।

প্রকৃত হাদি হওয়ার অর্থ হলো তাঁর সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়া। কেবল গুলির মুখে কথা বলার চেয়ে নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আমাদের যুক্তি, জ্ঞান, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠা দেখে আধিপত্যবাদীদের অন্তরে কাঁপন ধরে যায়। শহীদ ওসমান হাদির যোগ্যতা দেখে তাদের যেমনটি হয়েছিল। মনে রাখতে হবে, হাদি একদিনে তৈরি হননি। ৩২ বছরে তিলে তিলে তিনি গড়ে উঠেছিলেন। হাদি ভাই যেই শিক্ষা ও পরিবেশ পেয়েছিলেন, সেটি আমাদের সন্তানদের জন্য নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। শহীদ ওসমান হাদির এই আদর্শগুলো যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই ‘আমরা সবাই হাদি হব’ স্লোগানটি সার্থক হবে।