ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলায় তাঁর মেয়ে, জামাতা এবং নাতি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দেশটির শক্তিশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পৃক্ত ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দাবি করেছে যে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিজেও এই হামলায় নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে। তবে, এই দাবির ব্যাপারে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। ইরান সরকার এখনো এই মৃত্যুর খবর স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি।
অন্যদিকে, ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম এবং মেহের জানিয়েছে যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‘অবিচল রয়েছেন এবং রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন’। এই পরস্পরবিরোধী তথ্যের কারণে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি খামেনির পরিবারের সদস্যদের নিহত হওয়ার খবর সত্য হয়, তবে এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উপর এক বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর প্রতিক্রিয়া সুদূরপ্রসারী হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের একটি ঘটনা নতুন করে সংঘাতের জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হতে পারে।
—
রিপোর্টারের নাম 




















