গাজার জাবালিয়া শিবিরের ১৩ বছর বয়সী কিশোর ওমর হালাওয়া। গত বছর ইসরায়েলি হামলায় তার ডান পা হারানোর পর থেকেই তার জীবন এক কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতে গিয়ে সে প্রায়শই ভুলে যায় যে তার আর মাত্র একটি পা আছে, আর তখনই ঘটে যায় ছন্দপতন। সন্তানের এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে তার মা ইয়াসমিন হালাওয়ার মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
গত অক্টোবরে পানি আনতে গিয়েই ইসরায়েলি হামলার শিকার হয় ওমর। সে সময় তার ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটি কেটে ফেলতে হয়। শারীরিক এই আঘাতের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে মানসিক ট্রমা। তবে এই কষ্টের মধ্যেও তার মুখে শোনা যায় এক অদ্ভুত সরলতা, ‘আমার পা আগেই বেহেশতে গেছে।’
ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের ১ অক্টোবর। উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় তাদের শিবিরের কাছে আসা একটি ট্যাংক থেকে পানি আনতে গিয়েছিল ওমর। তার সঙ্গে ছিল ১১ বছর বয়সী বোন লায়ান, চাচাতো ভাই মোয়াথ হালাওয়া এবং বন্ধু মোহাম্মদ আল সিকসিক।
ওমরের মা ইয়াসমিন হালাওয়া এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সন্তানের এমন অবস্থা দেখে তাদের হৃদয় ভেঙে যায়। তিন মাস আগে এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হয় ওমর। একটি শিশুর জন্য দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোও এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গাজায় চলমান সংঘাতের মানবিক বিপর্যয়ের এক করুণ চিত্র তুলে ধরে।
রিপোর্টারের নাম 






















