ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাম্পের মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কা: গভীর উদ্বেগ জাতিসংঘের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সামরিক বাহিনী পরিচালনা সংক্রান্ত মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দিতে পারে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এই আশঙ্কার কথা জানান।

ডুজারিক বলেন, এমন ধরনের বক্তব্য, যা সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়, তা উভয় দেশের মধ্যে অবিশ্বাস ও উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে সংযম ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই কেবল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

জাতিসংঘের এই উদ্বেগ এমন এক সময়ে এলো যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসা এবং ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। সম্প্রতি, বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চায় উভয় পক্ষই সংযত থাকুক এবং এমন কোনো পদক্ষেপ না নিক যা সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়। তিনি বলেন, সংলাপের পথ খোলা রাখা এবং উত্তেজনা নিরসনে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ইরানের

ট্রাম্পের মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কা: গভীর উদ্বেগ জাতিসংঘের

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সামরিক বাহিনী পরিচালনা সংক্রান্ত মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দিতে পারে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এই আশঙ্কার কথা জানান।

ডুজারিক বলেন, এমন ধরনের বক্তব্য, যা সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়, তা উভয় দেশের মধ্যে অবিশ্বাস ও উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে সংযম ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই কেবল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

জাতিসংঘের এই উদ্বেগ এমন এক সময়ে এলো যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসা এবং ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। সম্প্রতি, বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চায় উভয় পক্ষই সংযত থাকুক এবং এমন কোনো পদক্ষেপ না নিক যা সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়। তিনি বলেন, সংলাপের পথ খোলা রাখা এবং উত্তেজনা নিরসনে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।