২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশ্ব সফরের অংশ হিসেবে বহুল প্রতীক্ষিত ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি এখন ঢাকায়। রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এই ঐতিহাসিক ট্রফিকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে রীতিমতো উৎসবের আমেজ। যদিও এবার সাধারণ দর্শকদের জন্য ট্রফিটি উন্মুক্ত রাখা হয়নি, তবুও কোকা-কোলা ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা সরাসরি ট্রফি দেখার ও ছবি তোলার সুযোগ পেয়ে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন।
দুপুর থেকেই রেডিসন ব্লুতে বিজয়ী ফুটবলপ্রেমীরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। বেলা দুইটা থেকে তাদের জন্য ট্রফি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। হোটেলের ভেতরে ও বাইরে উৎসুক জনতার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বড় আকারের কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন না করলেও, বিশ্বকাপ ট্রফিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি ছিল না।
সাম্প্রতিক সময়ে দেওয়ান হামজা চৌধুরীর মতো প্রবাসী ফুটবলারদের বাংলাদেশ দলে যোগ দেওয়ায় দেশের ফুটবলে নতুন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এই নতুন উদ্দীপনা ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি উচ্ছ্বাস যোগাচ্ছে। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে বিআরটিসির হয়ে খেলা হামজা পিয়াস প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই প্রথমবার ট্রফিটি দেখলাম এবং ছবি তুললাম। খুবই ভালো লাগছে। ফুটবল নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী। হামজা ভাই যেভাবে খেলা শুরু করেছেন, আমার মনে হয় খুব শিগগিরই বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেতে পারে। ফুটবলের নতুন জাগরণ হয়েছে, আশা করি এটা ধরে রাখা যাবে।”
ব্রাজিলের ভক্ত মডেল তারকা নীল হুরের জাহানও এই সুযোগে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলেন। তিনি বলেন, “আমাদের একটাই আক্ষেপ, আমরা বিশ্বকাপে খেলিনি। তবে আমাদের ফুটবল নতুন করে জেগেছে। আশা করি, সামনে ভালো কিছু করবে বাংলাদেশ।” অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার সমর্থক মো. শাওন বলেন, “আমি মেসিকে সরাসরি দেখিনি। মেসি এই ট্রফিটি ছুঁয়েছে। আমি এই ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলতে পেরে নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করছি।”
ফিফা ট্রফির এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং উদীয়মান তারকা শেখ মোরসালিনও উপস্থিত ছিলেন। ব্রাজিলের সমর্থক জামাল ভূঁইয়া চলতি বছরের বিশ্বকাপ জয়ী দল সম্পর্কে বলেন, “আমি চাই ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতুক।” হামজাসহ প্রবাসী ফুটবলাররা দেশের ফুটবলে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আশা করি, সামনে ভালো কিছুই হবে।” শেখ মোরসালিন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “এই ট্রফি আসায় আমরা আরও অনুপ্রাণিত হবো। এটি আমাদের উৎসাহ জোগাবে।”
রিপোর্টারের নাম 
























