বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সাল ছিল বিশ্বের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর। বুধবার ইউরোপীয় আবহাওয়া সংস্থাগুলোর এক যৌথ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
ইউরোপীয় সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টসের (ইসিএমডব্লিউএফ) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) এবং কোপার্নিকাস অ্যাটমোস্ফিয়ার মনিটরিং সার্ভিস (সিএএমএস) বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার এই নতুন পরিসংখ্যান সামনে এনেছে। সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, বিগত বছরটিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উত্তাপ বিগত কয়েক দশকের গড় তাপমাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়ে গেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পায়ন যুগের (১৮৫০-১৯০০ সাল) তুলনায় ১.৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। জলবায়ু বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। ক্রমাগত কার্বন নিঃসরণ এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবে পৃথিবী ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, যার প্রতিফলন দেখা গেছে বিগত বছরের এই তাপমাত্রার রেকর্ডে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত বিপর্যয় আরও তীব্র হতে পারে। ২০২৫ সালের এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















