শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন আয়োজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক এক প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস। এই পরিস্থিতিতে শাকসু নির্বাচন কমিশন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে না পারায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো ধরনের নির্বাচন আয়োজন না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আশঙ্কায় তারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং একপর্যায়ে শাকসু কার্যালয়ে অবস্থান নেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় আলোচনা চললেও কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন তারা। নির্বাচন কমিশনাররা শিক্ষার্থীদের জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা ছাড়া তাদের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তারা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, শাকসু কার্যালয়ে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনার এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিমের অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা বা কার্যকর সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শাকসু নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
রিপোর্টারের নাম 

























