ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকে শাবিপ্রবির ২৫ কোটি টাকা জমা, মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সুবিধা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রায় ২৫ কোটি টাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে জমা থাকলেও সেখান থেকে প্রত্যাশিত কোনো সুবিধা পাচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট ফান্ড ও কল্যাণ তহবিলের অর্থসহ বিভিন্ন তহবিলের এই অর্থ মূলত ৩ বছর মেয়াদি এবং মুনাফার হার ১১ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সাধারণত সরকারি ব্যাংকে রাখার নিয়ম থাকলেও বিশেষ সুবিধা বা বেশি লাভের জন্য সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রাইভেট ব্যাংকেও রাখা যেতে পারে, তবে তা কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। অতীতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য দুটি বাস দেওয়ার শর্তে এই ব্যাংকে টাকা জমা রাখা হয়েছিল। তবে ব্যাংকটি বাস দিতে না পারায় প্রায় ১০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং বাকি টাকাও উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি না দেওয়ায় ব্যাংকটি বাস দিতে পারেনি, তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সুদসহ টাকা ফেরত দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, এই ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী ব্যাংকে শাবিপ্রবির ২৫ কোটি টাকা জমা, মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সুবিধা

ইসলামী ব্যাংকে শাবিপ্রবির ২৫ কোটি টাকা জমা, মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সুবিধা

আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রায় ২৫ কোটি টাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে জমা থাকলেও সেখান থেকে প্রত্যাশিত কোনো সুবিধা পাচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট ফান্ড ও কল্যাণ তহবিলের অর্থসহ বিভিন্ন তহবিলের এই অর্থ মূলত ৩ বছর মেয়াদি এবং মুনাফার হার ১১ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সাধারণত সরকারি ব্যাংকে রাখার নিয়ম থাকলেও বিশেষ সুবিধা বা বেশি লাভের জন্য সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রাইভেট ব্যাংকেও রাখা যেতে পারে, তবে তা কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। অতীতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য দুটি বাস দেওয়ার শর্তে এই ব্যাংকে টাকা জমা রাখা হয়েছিল। তবে ব্যাংকটি বাস দিতে না পারায় প্রায় ১০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং বাকি টাকাও উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি না দেওয়ায় ব্যাংকটি বাস দিতে পারেনি, তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সুদসহ টাকা ফেরত দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, এই ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।