ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দণ্ডিত সব বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলো আমিরাত

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া অবশিষ্ট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ক্ষমা করেছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। 

রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ক্ষমার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেরে আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত সব বন্দি মুক্ত হলেন। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়। ক্ষমাপ্রাপ্ত ২৫ জনকেই ইতোমধ্যে মুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মানবিক সিদ্ধান্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যকার গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। এটি আমিরাতের নেতৃত্বের সহমর্মিতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের সময় এর সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিক্ষোভ করেছিলেন। দেশটির কঠোর আইনে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ হওয়ায় তখন বহু বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরাসরি অনুরোধে প্রাথমিকভাবে দণ্ডিত ১৮৮ জনকে ক্ষমা করেছিলেন আমিরাত রাষ্ট্রপতি। পরবর্তীতে বন্দি থাকা অবশিষ্ট ২৪ জনের মুক্তির বিষয়েও বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক ও আইনি প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। গত ২৮ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন যে, অবশিষ্ট বন্দিরাও শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছেন। 

উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে একজন কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাখাইনে ত্রিমুখী ভয়াবহ সংঘর্ষ: টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, ৫৩ সশস্ত্র সদস্য আটক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দণ্ডিত সব বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলো আমিরাত

আপডেট সময় : ০৮:২৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া অবশিষ্ট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ক্ষমা করেছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। 

রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ক্ষমার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেরে আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত সব বন্দি মুক্ত হলেন। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়। ক্ষমাপ্রাপ্ত ২৫ জনকেই ইতোমধ্যে মুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মানবিক সিদ্ধান্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যকার গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। এটি আমিরাতের নেতৃত্বের সহমর্মিতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের সময় এর সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিক্ষোভ করেছিলেন। দেশটির কঠোর আইনে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ হওয়ায় তখন বহু বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরাসরি অনুরোধে প্রাথমিকভাবে দণ্ডিত ১৮৮ জনকে ক্ষমা করেছিলেন আমিরাত রাষ্ট্রপতি। পরবর্তীতে বন্দি থাকা অবশিষ্ট ২৪ জনের মুক্তির বিষয়েও বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক ও আইনি প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। গত ২৮ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন যে, অবশিষ্ট বন্দিরাও শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছেন। 

উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে একজন কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।