আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অনেকটা লাইনচ্যুত হয়ে যাওয়া একটি ট্রেনকে আবারও রেললাইনে ফিরিয়ে আনার মতো। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ৮১টি সংস্থার মোর্চা অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি, তবে এটি মূলত একটি লাইনচ্যুত ট্রেনকে পুনরায় ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা এবং তা সচল করার মতো কাজ। ন্যূনতম মেরামত এবং কিছু যন্ত্রাংশ বদলে ট্রেনটিতে গতি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টায় সফল হওয়াকেই প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং পরবর্তীতে এর ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
বিগত নির্বাচনগুলোর পর্যবেক্ষণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগের তিনটি নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি। এবার পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০০টি সংস্থা আবেদন করলেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে ৮১টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, পর্যবেক্ষক দল হলো নির্বাচন কমিশনের তৃতীয় নয়ন। আমরা চাই তারা মানসম্মতভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মৌলিক বিষয়গুলো যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়। নীতিমালার ভেতর থেকে তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান এবং খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















