বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে দীর্ঘ ৫০ বছরের সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি’ (পিসিএ)-এর খসড়া চূড়ান্ত করতে চূড়ান্ত দফার বৈঠকে বসছে উভয় পক্ষ। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় দুই দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক রূপরেখা সম্বলিত এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই হবে প্রথম দেশ, যাদের সাথে ইইউ’র এই স্তরের কৌশলগত অংশীদারিত্ব থাকবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই চূড়ান্ত ধাপের আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইইউ এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পাওলা পামপোলিনি। আগামী জুনের মধ্যে চুক্তিটি সই করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, তাদের আমলেই এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে সম্পাদিত হওয়ার কথা রয়েছে।
২০০১ সালে সম্পাদিত সহযোগিতা চুক্তির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন এই পিসিএ চুক্তিতে অর্থনীতি, সুশাসন ও মানবাধিকারের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কানেক্টিভিটির মতো আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। গত বছরের এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত মোট চার দফা আলোচনার পর এখন শেষ মুহূর্তের আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চুক্তিটি কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ইউরোপের ২৭টি দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।
রিপোর্টারের নাম 

























