উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, দেশটির নেতা কিম জং উনের তত্ত্বাবধানে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। পিয়ংইয়ং কর্তৃপক্ষ বলেছে, এই উৎক্ষেপণ দেশটির যুদ্ধ প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে তুর্কি বার্তা সংস্থা টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
কিম বলেন, “এই পরীক্ষার মাধ্যমে জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোর প্রশংসা করে বলেন, তারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক বাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।
কিম আরও বলেন, “আমাদের পারমাণবিক বাহিনীকে বাস্তবভিত্তিক করে তোলা এবং প্রকৃত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন হয়েছে।”
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, কোরিয়ান পিপলস আর্মির একটি ফায়ার স্ট্রাইক ইউনিট এই উৎক্ষেপণ পরিচালনা করে। এটি ছিল একটি কার্যকরী মূল্যায়নের অংশ, যার মাধ্যমে হাইপারসনিক অস্ত্রব্যবস্থার প্রস্তুতি, কার্যকারিতা ও গতিশীলতা যাচাই করা হয়।
কিম ক্ষেপণাস্ত্র সেনাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে বলেন, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত ও পারমাণবিক যুদ্ধ প্রস্তুতি প্রমাণ করেছে।
কেসিএনএ জানায়, পিয়ংইয়ংয়ের রিয়োকপো জেলা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয় এবং সেগুলো উত্তর কোরিয়ার পূর্বদিকে সাগরের ওপর প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এই পরীক্ষা এমন এক সময়ে হলো, যখন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং চীন সফরে ছিলেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়ায় যুদ্ধাস্ত্র পরীক্ষা বাড়িয়েছে। গত মাসে দেশটি জানায়, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি ও পাল্টা আঘাতের সক্ষমতা যাচাই করতে দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও পরীক্ষা করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















