মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পরও যদি দেশটির অন্তবর্তী সরকারের সদস্যরা তার পরিকল্পনার সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর দ্বিতীয় দফা সামরিক হামলা চালাতে পারে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ হুমকি দেন তিনি। তার এই মন্তব্য লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আবারও সামরিক হস্তক্ষেপের শঙ্কা উসকে দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক প্রবাহ কমাতে ব্যর্থ হলে কলম্বিয়া ও মেক্সিকোও সামরিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
তিনি আরও বলেছেন, অপারেশন কলম্বিয়া, শুনতে আমার কাছে বেশ ভালোই লাগছে। এছাড়া ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সামরিক পদক্ষেপ ছাড়াই নিজে নিজেই ভেঙে পড়তে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর ঘনিষ্ঠ শীর্ষ কর্মকর্তারাই এখনও রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছেন। তারা মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করাকে অপহরণ বলে উল্লেখ করেছেন। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক দল পিএসইউভি প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো বলেন, এখানে বিপ্লবী শক্তির ঐক্য প্রশ্নাতীত। এখানে একমাত্র একজনই প্রেসিডেন্ট, তার নাম নিকোলাস মাদুরো মোরোস। শত্রুর উসকানিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তেলমন্ত্রী ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মাদুরোই দেশের বৈধ প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বলে ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তা প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারি ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গেছে মার্কিন বাহিনী। আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটানের আদালতে মাদুরোর বিরুদ্ধে আনা মাদক ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর বিচারিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























