এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা আরও ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার (৯ জুলাই ২০২৫) ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এই আদেশ দেন।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, অবরুদ্ধ করা ব্যাংক হিসাবগুলোর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৩৩টি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২টি এবং ইসলামী ব্যাংকের ১৮টি হিসাব রয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে এস আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার একাধিক আদেশ দিয়েছেন আদালত:
২৪ জুন: এস আলম ও তাঁর স্ত্রীর নামে বিদেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়।
১৭ জুন: আরও ১৮০ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়।
২৭ এপ্রিল ও ২৩ এপ্রিল: বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা যথাক্রমে ৫৫৯ কোটি টাকা এবং আরও জমি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়।
৯ এপ্রিল: এস আলম গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও ৬৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়, যেখানে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ৬১ লাখ ৭ হাজার ২২১ টাকা জমা ছিল।
২৩ ফেব্রুয়ারি: এস আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা ৮ হাজার ১৩৩ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়। এ নিয়ে তিন দফায় মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হলো।
১৪ জানুয়ারি: এস আলম ও তাঁর পরিবারের নামে থাকা গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার ২০০ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং ৬৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত।
গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর: এস আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
দুদক লিখিতভাবে আদালতকে জানিয়েছে, তারা এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, সাইপ্রাসসহ অন্যান্য দেশে ১০০ কোটি ডলার পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান করছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর এস আলম, তাঁর স্ত্রী, সন্তান ও ভাইসহ ১৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত।
রিপোর্টারের নাম 
























