ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আইনি বাধায় ৩ শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করছেন ট্রাম্প

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

আইনি বাধার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও পোর্টল্যান্ড থেকে সেনা সরাতে হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও তিনি বলেছেন যে, অপরাধ বাড়লে সেনাবাহিনী আবার ফিরতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘অপরাধ আবার বাড়লে আমরা, সম্ভবত আরও শক্তিশালী ও ভিন্ন রূপে ফিরে আসব। শহরগুলোতে অপরাধ কমেছে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাদের কারণে এবং শুধু সেই কারণেই আমরা সেনা প্রত্যাহার করছি।’

আইনি চ্যালেঞ্জ ও স্থানীয় নেতাদের আপত্তির কারণে সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত ইলিনয়েসে সেনা মোতায়েন আটকে দিয়েছে। বুধবার ফেডারেল আপিল আদালত ক্যালিফোর্নিয়ার সেনাদের গভর্নরের নিয়ন্ত্রণে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

গভর্নর গ্যাভিন ন্যুসামের কার্যালয় এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতারা ট্রাম্পের ঘোষণাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, সেনা প্রত্যাহার আইনগত বাধ্যবাধকতার ফল, প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ইচ্ছার নয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা আরও উল্লেখ করেছেন, শহরের অপরাধ আগে থেকে কমে আসছিল, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েনের প্রভাব খুব বেশি না।

শিকাগো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সহিংস অপরাধ ২১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে, যা শহরের শেষ এক দশকে সর্বনিম্ন। ট্রাম্পের অভিবাসননীতি ও অপরাধ বৃদ্ধির অভিযোগের কারণে সেনা মোতায়েন জুন থেকে শুরু হয়েছিল ।

প্রতিবেদনেটিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল বড় শহরগুলোতে অপরাধ কমানো এবং ফেডারেল সম্পত্তি ও কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে স্থানীয় পরিসংখ্যান ও আদালতের রায় তাকে প্রায় ব্যর্থই প্রমাণিত করেছে।  

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মামলা তদন্তে ধীরগতি: ঝুলে আছে ১৬৯৪টি মামলার ভবিষ্যৎ

আইনি বাধায় ৩ শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

আইনি বাধার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও পোর্টল্যান্ড থেকে সেনা সরাতে হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও তিনি বলেছেন যে, অপরাধ বাড়লে সেনাবাহিনী আবার ফিরতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘অপরাধ আবার বাড়লে আমরা, সম্ভবত আরও শক্তিশালী ও ভিন্ন রূপে ফিরে আসব। শহরগুলোতে অপরাধ কমেছে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাদের কারণে এবং শুধু সেই কারণেই আমরা সেনা প্রত্যাহার করছি।’

আইনি চ্যালেঞ্জ ও স্থানীয় নেতাদের আপত্তির কারণে সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত ইলিনয়েসে সেনা মোতায়েন আটকে দিয়েছে। বুধবার ফেডারেল আপিল আদালত ক্যালিফোর্নিয়ার সেনাদের গভর্নরের নিয়ন্ত্রণে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

গভর্নর গ্যাভিন ন্যুসামের কার্যালয় এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতারা ট্রাম্পের ঘোষণাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, সেনা প্রত্যাহার আইনগত বাধ্যবাধকতার ফল, প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ইচ্ছার নয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা আরও উল্লেখ করেছেন, শহরের অপরাধ আগে থেকে কমে আসছিল, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েনের প্রভাব খুব বেশি না।

শিকাগো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সহিংস অপরাধ ২১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে, যা শহরের শেষ এক দশকে সর্বনিম্ন। ট্রাম্পের অভিবাসননীতি ও অপরাধ বৃদ্ধির অভিযোগের কারণে সেনা মোতায়েন জুন থেকে শুরু হয়েছিল ।

প্রতিবেদনেটিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল বড় শহরগুলোতে অপরাধ কমানো এবং ফেডারেল সম্পত্তি ও কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে স্থানীয় পরিসংখ্যান ও আদালতের রায় তাকে প্রায় ব্যর্থই প্রমাণিত করেছে।