বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার পরিবার, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। সংগঠনটি মনে করে, এদেশের ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে খালেদা জিয়ার ভূমিকার নির্মোহ বিচার বিশ্লেষণ ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য জরুরি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তা গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি বলেছে, ১৯৮০ দশকে জেনারেল এরশাদ নেতৃত্বাধীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী, দৃঢ় ও ধারাবাহিক ভূমিকা গ্রহণ করে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। এই ধারাতেই তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন এবং এদেশে নারী নেতৃত্বাধীন সরকারের সূচনা করেন।
‘প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি যেসব নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের দীর্ঘসময় ধরে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, অপপ্রচার, কুৎসা মোকাবিলা করে তিনি যে সংযমের পরিচয় দিয়েছেন তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্লভ।’
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি মনে করে, খালেদা জিয়া তার শেষ রাজনৈতিক বক্তব্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক জ্ঞানভিত্তিক যে সমাজ নির্মাণের কথা বলেছিলেন— সেটা তার দল, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা মনে রাখবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষে আনু মুহাম্মদ, ড. সামিনা লুৎফা নিত্রা, ড. মাহা মির্জা, আফজাল হোসেন, ফেরদৌস আরা রুমী, রাফসান আহমেদ, সজীব তানভীর, ডা. নাজমুস সাকিবের নাম উল্লেখ করা হয় শোকবার্তায়।
রিপোর্টারের নাম 























