ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত গেজেট করার দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘প্রজ্ঞা’ (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। একইসঙ্গে সংশোধনীটি কার্যকর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি। 

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা এবং আত্মা জানিয়েছে, এই অধ্যাদেশের অনুমোদন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তবে এর পূর্ণ সুফল পেতে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “অধ্যাদেশটি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে। গেজেট প্রকাশে যত দেরি হবে, তামাক কোম্পানিগুলোর হস্তক্ষেপের সুযোগ ততই বাড়বে। অতীতেও আমরা আইন সংশোধনীর পথে তামাক কোম্পানিগুলোর ব্যাপক বাধার নজির দেখেছি।”

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করেন। ক্যানসার, স্ট্রোক ও হৃদরোগের মতো মারাত্মক অসংক্রামক রোগের প্রধান কারণ এই তামাক। বর্তমানে দেশের ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। তামাকের কারণে বছরে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয় তার পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। 

সংগঠন দুটির মতে, অধ্যাদেশটি বাস্তবায়িত হলে দেশে তামাকজনিত মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। এছাড়া এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে, বিশেষত অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারকে বড়ো ধরনের সহায়তা করবে। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত গেজেট করার দাবি

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘প্রজ্ঞা’ (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। একইসঙ্গে সংশোধনীটি কার্যকর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি। 

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা এবং আত্মা জানিয়েছে, এই অধ্যাদেশের অনুমোদন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তবে এর পূর্ণ সুফল পেতে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “অধ্যাদেশটি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে। গেজেট প্রকাশে যত দেরি হবে, তামাক কোম্পানিগুলোর হস্তক্ষেপের সুযোগ ততই বাড়বে। অতীতেও আমরা আইন সংশোধনীর পথে তামাক কোম্পানিগুলোর ব্যাপক বাধার নজির দেখেছি।”

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করেন। ক্যানসার, স্ট্রোক ও হৃদরোগের মতো মারাত্মক অসংক্রামক রোগের প্রধান কারণ এই তামাক। বর্তমানে দেশের ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। তামাকের কারণে বছরে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয় তার পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক থেকে অর্জিত রাজস্বের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। 

সংগঠন দুটির মতে, অধ্যাদেশটি বাস্তবায়িত হলে দেশে তামাকজনিত মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। এছাড়া এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে, বিশেষত অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারকে বড়ো ধরনের সহায়তা করবে।