আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হাতে গড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে নির্বাচনি জোট গঠনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দল দুটির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদেরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এই আলোচনার সূত্রপাত হয়।
আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে দাবি করেন, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে আসন সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত এবং এনসিপি ৩০টি আসনে নির্বাচন করতে পারে। তিনি এই সম্ভাব্য জোটকে ‘তারুণ্যের রাজনীতির কবর’ ও ‘আত্মঘাতী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জোটের সম্ভাবনা নাকচ না করে জানিয়েছেন, বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে দ্রুতই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিশ্চিত করেছেন যে, দলটির সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরেই নির্বাচনি আলাপ-আলোচনা চলছে।
এনসিপি ইতিমধ্যে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে শতাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং এর আগে এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিয়ে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ গঠন করেছিল। তবে জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদও এই সম্ভাব্য সমঝোতাকে ‘আত্মঘাতী’ বলে মন্তব্য করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই জোট হলে তা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
রিপোর্টারের নাম 
























