স্বীকৃত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ভারতের কিরন নাভগিরে। শুক্রবার ভারতের সিনিয়র উইমেন্স টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে তিনি পাঞ্জাবের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ৩৪ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন।
নাগপুরে আগে ব্যাট করে পাঞ্জাব ১১০ রান সংগ্রহ করেছিল। জবাবে নাভগিরে একাই ১০৬ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। তার ৩৫ বলের এই অপরাজিত ইনিংসটিতে ছিল ১৪টি চার ও সাতটি ছয়ের মার। এই ইনিংস খেলার পথেই ৩৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে তিনি ভেঙে দেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক সোফি ডিভাইনের রেকর্ড। ২০২১ সালে সোফি দেশটির ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ওয়েলিংটনের হয়ে ৩৬ বলে শতক হাঁকিয়েছিলেন।
নাভগিরে এই ইনিংসে ৩০২.৮৬ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন। নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরি হাঁকানোর এটিই প্রথম নজির।
নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে পাঞ্জাব উইমেন্সের ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মহারাষ্ট্র দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট হারায়। এরপর তিন নম্বর অবস্থানে নামা নাভগিরে, মুক্তা মাগরকে সঙ্গে নিয়ে ১০৩ রানের এক অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। ফলে মহারাষ্ট্র মাত্র ৮ ওভারেই সহজে জয় নিশ্চিত করে নেয়।
৩১ বছর বয়সী নাভগিরে ভারতের হয়ে ৬টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি খুব একটা সফল না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ নজর কাড়ছেন। ২০২২ সালের সিনিয়র উইমেন্স টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েছিলেন। একই বছরে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে ৭৬ বলে ১৬২ রানের এক ধ্বংসাত্মক ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি।
মেয়েদের আইপিএলের প্রথম আসরে তাকে দলে নিয়েছিল ইউপি ওয়ারিয়র্স। গত বছর তিনি ৩১ বলে ৫৭ রান করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। আর চলতি মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে খেলেছেন মাত্র ১৬ বলে ৪৬ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস।
রিপোর্টারের নাম 























