‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর অঙ্গীকারনামার ৫ নম্বর দফায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ‘জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের’ সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আলোচনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আন্দোলনরত জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
এ সময় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ অঙ্গীকারনামার ৫ নম্বর দফার সংশোধিত ভাষ্যটি পড়ে শোনান। সংশোধিত দফায় বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তি এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের মাধ্যমে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান এবং শহীদ পরিবারকে ও জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। একইসঙ্গে আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
কমিশনের সহ-সভাপতি জানান, কমিশন এই অঙ্গীকারনামা বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকারের কাছে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, এই বিষয়ে রাজনৈতিক দল এবং ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য নেই।
শুক্রবার বিকেলে তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্য বিবরণী থেকে এই সকল তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















