ঢাকা ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

‘দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানের বড় বাধা বিনিয়োগ ও ঝুঁকি গ্রহণের অভাব’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গ্যাস ও তেল অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও ঝুঁকি গ্রহণের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সরকার এক্সপ্লোরেশনে ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়েছে। ফলে গত ৩০ থেকে ৪০ বছরে যে পরিমাণ বিনিয়োগ ও অনুসন্ধান হওয়া প্রয়োজন ছিল, তা হয়নি।’

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আইইবি ভবনে বিইআরসির সভাকক্ষে ‘ডিএসটি’ বিষয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) সদস্যদের জন্য কর্মশালাটির আয়োজন করে বিইআরসি। এতে সংস্থাটির সদস্যরা ছাড়াও এফইআরবির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জালাল আহমেদ বলেন, ‘বিশেষ করে এক্সটেনসিভ সিসমিক সার্ভে না করাই বড় ঘাটতি। যদি আমরা ব্যাপকভাবে সিসমিক সার্ভে করতে পারতাম, তাহলে তার ভিত্তিতে পরিকল্পিত এক্সপ্লোরেশন সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই জায়গায় আমরা দুর্বল থেকেছি। এ কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।’

কর্মশালায় বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান ড্রিলিং প্রক্রিয়া ও ডিএসটি পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধাপে ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে গ্যাস ও তেলের সম্ভাবনা যাচাই করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের ইফতার আয়োজন: বিশৃঙ্খলা ও খাবার সংকটে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

‘দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানের বড় বাধা বিনিয়োগ ও ঝুঁকি গ্রহণের অভাব’

আপডেট সময় : ১২:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে গ্যাস ও তেল অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও ঝুঁকি গ্রহণের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সরকার এক্সপ্লোরেশনে ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়েছে। ফলে গত ৩০ থেকে ৪০ বছরে যে পরিমাণ বিনিয়োগ ও অনুসন্ধান হওয়া প্রয়োজন ছিল, তা হয়নি।’

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আইইবি ভবনে বিইআরসির সভাকক্ষে ‘ডিএসটি’ বিষয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) সদস্যদের জন্য কর্মশালাটির আয়োজন করে বিইআরসি। এতে সংস্থাটির সদস্যরা ছাড়াও এফইআরবির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জালাল আহমেদ বলেন, ‘বিশেষ করে এক্সটেনসিভ সিসমিক সার্ভে না করাই বড় ঘাটতি। যদি আমরা ব্যাপকভাবে সিসমিক সার্ভে করতে পারতাম, তাহলে তার ভিত্তিতে পরিকল্পিত এক্সপ্লোরেশন সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই জায়গায় আমরা দুর্বল থেকেছি। এ কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।’

কর্মশালায় বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান ড্রিলিং প্রক্রিয়া ও ডিএসটি পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধাপে ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে গ্যাস ও তেলের সম্ভাবনা যাচাই করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।’