ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাদারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) হাদির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর বিকালে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে হন বহু মানুষ। সেখান থেকে এই আল্টিমেটাম দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, “আগামীকাল বিকাল সোয়া ৫টার মধ্যে শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতারের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও জবাব না এলে আবারও শাহবাগে অবস্থান নেওয়া হবে।”
একইসঙ্গে শাহবাগ মোড়ের নামকরণ পরিবর্তন করে ‘হাদি চত্বর’ করার আহ্বান জানানো হয়।
এদিন, বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে শাহবাগ মোড়ে মানুষ জড়ো হওয়া শুরু করেন। তখন শাহবাগে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হাদির দাফন শেষ হওয়ার পর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগে সমাবেশ আরও বিশাল আকার ধারণ করে।
এর আগে দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির জানাজা হয়। জানাজার পর বিকাল ৩টা ৪৮ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পর দিন ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে শহীদ হাদির মরদেহবাহী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাদির মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি অবতরণ করে।
রিপোর্টারের নাম 





















