জুম্মার নামাজের পরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয় ঘিরে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয়ের সামনে সরেজমিনে অবস্থান করে এই চিত্র দেখা যায়।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গতকাল রাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলোর ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে দুপুরে জুম্মার নামাজের পরে এই পত্রিকার কার্যালয় ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা নিতে দেখা যায়।
নামাজের পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাউকে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সরিয়ে দিয়েছেন। এবং প্রথম আলোর কার্যালয়কে কেন্দ্র করে চারপাশেই অবস্থান নেন। আর মেট্রো স্টেশনের (প্রথম আলোর সামনের) গেটের সামনে আনসার সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। এছাড়া পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা কার্যালয় ঘিরে ‘ক্রাইম সিন’ লেখা ফিতা টানিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন।
এখনও কোন নিরাপত্তার ঝুঁকি আছে কি-না, বাড়তি নিরাপত্তা নিয়েছেন কি-না— জানতে চাইলে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের সিআইডি টিম কাজ করছে এখানে। তারা যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে সেজন্য আমরা এই জায়গায় কাউকে আসতে দিচ্ছি না। আর সেনাবাহিনী আগে থেকেই ছিল, কিন্ত এখন তাদের আরও কিছু সিনিয়র অফিসার যুক্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে সকালে কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো পত্রিকার ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল বাহারুল আলম।
রিপোর্টারের নাম 
























