স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এস জিলানী মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বলেছেন, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে নতুন দেশ গঠিত হবে, তা হবে সম্প্রীতির বাংলাদেশ। তিনি অঙ্গীকার করেন, সেই বাংলাদেশ হবে সাম্য ও মানবিকতার ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব এবং দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট কাজী মন্টু কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর আয়োজিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশে’ তিনি এসব কথা বলেন।
জিলানী আরও বলেন, বিএনপি হলো মুক্তিযোদ্ধাদের দল, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী একটি সংগঠন। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যিনি শুধু রণাঙ্গনে নেতৃত্বই দেননি, স্বাধীনতার ঘোষণাও দিয়েছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী বলেই বিএনপির রাজনীতি করেন বলে উল্লেখ করেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি কোটালীপাড়া উপজেলাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে উল্লেখ করে এই ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানান। তিনি ব্যক্তিগতভাবে জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চেয়ে বলেন, “আমাকে একবার সুযোগ দিন, আমি আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই।” জিলানী প্রতিশ্রুতি দেন, সমস্যার কথা বলার জন্য কাউকে তার কাছে যেতে হবে না—তিনি নিজেই জনগণের কাছে ছুটে আসবেন এবং সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এস মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্প্রীতি সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের হোসেন ঠাকুর, রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, ভাঙ্গারহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শ্যাম বাড়ৈ সহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
রিপোর্টারের নাম 























