বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে বিজয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ দেশের বাংলাদেশ মিশন ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করলেও, আলোচনা সভার জন্য আলাদা দিন নির্ধারণ করেছে কয়েকটি দূতাবাস।
বিজয় দিবসের দিন (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সব দূতাবাসে উত্তোলন করা হবে জাতীয় পতাকা, একই সঙ্গে বিজয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হবে। এসব আয়োজনে বক্তব্য রাখবেন সেসব দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরা।
বিজয় দিবস অনুষ্ঠানের অংশ নিতে ইতোমধ্যে প্রবাসীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে দূতাবাসগুলো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিজয় দিবসের দিন দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পালন করবে দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
রোমানিয়ার বুখারেস্টে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে। এ দিন সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সান্ধ্য অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে আলোচনা, দোয়া, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে।
জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসীদের মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বার্লিনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস গতকাল ১৩ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিন পতাকা উত্তোলন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
তেহরানের বাংলাদেশ দূতাবাস ‘মহান বিজয় দিবস-২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে আগামী ১৬ ডিসেম্বর দূতাবাস দুই পর্বে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দুতালয় প্রধান মো. বনান জানান, ৯টায় দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর শহীদদের পুণ্য স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও বিশেষ মোনাজাত করা হবে। এরপর বিকাল ৪টা থেকে বাণী পাঠ করা হবে। এরপর দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা পাঠের আসর, মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর আলোচনা, পুরষ্কার বিতরণ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে।
পোল্যান্ডের ওয়ারশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বিজয় দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
ম্যানিলার বাংলাদেশ দূতাবাস পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি সন্ধ্যায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ, বাণী পাঠ সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এছাড়া দিল্লী, কলম্বো, ইসলামাবাদ, রাবাতা, মস্কো, দক্ষিণ কোরিয়া, লিসবন, ত্রিপলি, ম্যাক্সিকো, ওয়াশিংটন, ব্যাংককসহ অন্যান্য দূতাবাস এবং স্থায়ী মিশনগুলোতে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
বিজয় দিবস উদযাপন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিজয় দিবসসহ জাতীয় দিবস উদযাপনের বাধ্যবাধকতা আছে। এটা ক্যাবিনেটের নির্দেশনা। সেই অনুযায়ী সব দূতাবাসেই বিজয় দিবস উদযাপন করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























