ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিফার বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাওয়ার কোনো শঙ্কা নেই: ক্রীড়া উপদেষ্টা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ফিফার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের অধীনে টেকনিক্যাল সেন্টার তৈরির জন্য বেশ কিছুদিন ধরে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এই প্রকল্পের জন্য বাফুফে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে এই অর্থ ফিফাকে ফেরত দিতে হবে। এমন একটি শঙ্কা তৈরি হলেও, মঙ্গলবার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই অর্থ ফেরত যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ফিফা ফরোয়ার্ড প্রজেক্টের আওতায় নির্মিত কমলাপুর স্টেডিয়াম এবং বাফুফে ভবনের পাশের কৃত্রিম ঘাসের মাঠের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ গড়ার উদ্যোগটি বাফুফে ২০২২ সালের জুলাই মাসে হাতে নেয়। প্রাথমিকভাবে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং-এ জমি পাওয়া গেলেও পরে সেটি পরিবর্তন করে একই জেলার রশিদনগরে জমি দেওয়া হয় বাফুফেকে। সেখানে জমির পরিমাণ ছিল ১৯.১ একর, তবে বাফুফে পেয়েছে প্রায় ১৫ একর জায়গা। বর্তমানে এই প্রকল্পটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই বাফুফে নির্মাণকাজ শুরু করবে।

এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এটি এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আমি আশা করি, ফান্ড আমাদের হাত থেকে চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না। এর মধ্যেই আমরা বাফুফে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারব।”

ক্রীড়া উন্নয়নে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমাদের খেলাধুলায় আসলে কোনও সুনির্দিষ্ট ভিশন নেই। আমরা অন্ধের মতো যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই যেতে থাকি। আমাদের এখনই একটি স্পষ্ট লক্ষ্য স্থির করা দরকার— আগামী ১০ বছরে আমরা কী অর্জন করতে চাই।”

ফিফার অর্থায়নে তৈরি হতে যাওয়া এই টেকনিক্যাল সেন্টারে মাঠসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। বাফুফের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে একটি করে প্রাকৃতিক ঘাসের ও কৃত্রিম মাঠ, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল এবং ফুটবলারদের জন্য একটি অ্যাকাডেমিক ভবনও থাকবে।

এখন দেখার বিষয়, ডিসেম্বরের আগে বাফুফে এই জমিতে কাজ শুরু করার জন্য বরাদ্দপত্র হাতে পায় কিনা।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূস সরকারের বিদায়: স্বস্তিতে দিল্লি, নতুন সমীকরণের প্রত্যাশা

ফিফার বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাওয়ার কোনো শঙ্কা নেই: ক্রীড়া উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ফিফার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের অধীনে টেকনিক্যাল সেন্টার তৈরির জন্য বেশ কিছুদিন ধরে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এই প্রকল্পের জন্য বাফুফে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে এই অর্থ ফিফাকে ফেরত দিতে হবে। এমন একটি শঙ্কা তৈরি হলেও, মঙ্গলবার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই অর্থ ফেরত যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ফিফা ফরোয়ার্ড প্রজেক্টের আওতায় নির্মিত কমলাপুর স্টেডিয়াম এবং বাফুফে ভবনের পাশের কৃত্রিম ঘাসের মাঠের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

‘সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ গড়ার উদ্যোগটি বাফুফে ২০২২ সালের জুলাই মাসে হাতে নেয়। প্রাথমিকভাবে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং-এ জমি পাওয়া গেলেও পরে সেটি পরিবর্তন করে একই জেলার রশিদনগরে জমি দেওয়া হয় বাফুফেকে। সেখানে জমির পরিমাণ ছিল ১৯.১ একর, তবে বাফুফে পেয়েছে প্রায় ১৫ একর জায়গা। বর্তমানে এই প্রকল্পটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই বাফুফে নির্মাণকাজ শুরু করবে।

এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এটি এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আমি আশা করি, ফান্ড আমাদের হাত থেকে চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না। এর মধ্যেই আমরা বাফুফে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারব।”

ক্রীড়া উন্নয়নে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমাদের খেলাধুলায় আসলে কোনও সুনির্দিষ্ট ভিশন নেই। আমরা অন্ধের মতো যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই যেতে থাকি। আমাদের এখনই একটি স্পষ্ট লক্ষ্য স্থির করা দরকার— আগামী ১০ বছরে আমরা কী অর্জন করতে চাই।”

ফিফার অর্থায়নে তৈরি হতে যাওয়া এই টেকনিক্যাল সেন্টারে মাঠসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। বাফুফের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে একটি করে প্রাকৃতিক ঘাসের ও কৃত্রিম মাঠ, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল এবং ফুটবলারদের জন্য একটি অ্যাকাডেমিক ভবনও থাকবে।

এখন দেখার বিষয়, ডিসেম্বরের আগে বাফুফে এই জমিতে কাজ শুরু করার জন্য বরাদ্দপত্র হাতে পায় কিনা।