ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কর্মকর্তাদের বদলি বা ছুটির প্রয়োজনে লাগবে ইসির সম্মতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কোনও কর্মকর্তার বদলি বা ছুটি প্রয়োজন হলে লাগবে নির্বাচন কমিশনের সম্মতি। 

সম্প্রতি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা প্রয়োজন হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত অফিস/প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হতে এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি অফিস/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ করা প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী নির্বাচনের কাজে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য মর্মে বিবেচ্য। নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৩ নম্বর আইন) অনুসারে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে তিনি উক্তরূপ নিয়োগের পর নির্বাচনি দায়িত্ব হতে অব্যাহতি না পাওয়া পর্যন্ত তার চাকরির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রেষণে চাকরিরত আছেন বলে গণ্য হবেন। তাছাড়া, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে নির্বাচনি সময়সূচি জারি হওয়ার পর হতে ফলাফল ঘোষণার পর ১৫ দিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সহিত পূর্বালোচনা ব্যতীত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে অন্যত্র বদলি না করার বিধান রয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আইন ও বিধি মোতাবেক নিরপেক্ষভাবে পালনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা প্রদান করবেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের সহিত পূর্বালোচনা ব্যতীত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে বদলি বা ছুটি প্রদান না করা হয় অথবা নির্বাচনি দায়িত্ব ব্যাহত হতে পারে এমন কোনও কাজে নিয়োজিত না করা হয় তার নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থাগুলোকে নির্দেশ প্রদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৫ ও ৪৪৩ অনুচ্ছেদের আলোকে আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি হামলায় ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ৪০ ছাত্রী নিহত: শোকের ছায়া

কর্মকর্তাদের বদলি বা ছুটির প্রয়োজনে লাগবে ইসির সম্মতি

আপডেট সময় : ১১:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কোনও কর্মকর্তার বদলি বা ছুটি প্রয়োজন হলে লাগবে নির্বাচন কমিশনের সম্মতি। 

সম্প্রতি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা প্রয়োজন হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত অফিস/প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হতে এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি অফিস/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ করা প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী নির্বাচনের কাজে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য মর্মে বিবেচ্য। নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৩ নম্বর আইন) অনুসারে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে তিনি উক্তরূপ নিয়োগের পর নির্বাচনি দায়িত্ব হতে অব্যাহতি না পাওয়া পর্যন্ত তার চাকরির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রেষণে চাকরিরত আছেন বলে গণ্য হবেন। তাছাড়া, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে নির্বাচনি সময়সূচি জারি হওয়ার পর হতে ফলাফল ঘোষণার পর ১৫ দিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সহিত পূর্বালোচনা ব্যতীত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে অন্যত্র বদলি না করার বিধান রয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আইন ও বিধি মোতাবেক নিরপেক্ষভাবে পালনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা প্রদান করবেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের সহিত পূর্বালোচনা ব্যতীত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে বদলি বা ছুটি প্রদান না করা হয় অথবা নির্বাচনি দায়িত্ব ব্যাহত হতে পারে এমন কোনও কাজে নিয়োজিত না করা হয় তার নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থাগুলোকে নির্দেশ প্রদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৫ ও ৪৪৩ অনুচ্ছেদের আলোকে আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করছি।