ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

নরসিংদীতে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েতপ্রবাসী নিহত, দুজন গুলিবিদ্ধ

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে রায়পুরার চরাঞ্চল নিলক্ষার দড়িগাঁও এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুয়েতপ্রবাসী মামুন মিয়া (২৫) ১৫ দিন আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তিনি রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকায় আবদুল আউয়ালের ছেলে। 

পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রয়াত ইউপি সদস্য শহীদের গ্রুপের সঙ্গে ফেলু মিয়ার গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল। সোমবার সকালে স্থানীয় বাজারে ফেলু মিয়ার মেয়ের জামাই মামুন মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় প্রতিপক্ষের লোকজনের। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাদের মধ্যে হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে মামুন মিয়াসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া আউয়াল মিয়া ও পরশ মিয়াকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দা গুলশানারা কবীর বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন জনকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন: মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, দায়ীদের বিচারের দাবি ভাসানী জনশক্তি পার্টির

নরসিংদীতে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েতপ্রবাসী নিহত, দুজন গুলিবিদ্ধ

আপডেট সময় : ১০:২৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে রায়পুরার চরাঞ্চল নিলক্ষার দড়িগাঁও এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুয়েতপ্রবাসী মামুন মিয়া (২৫) ১৫ দিন আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তিনি রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকায় আবদুল আউয়ালের ছেলে। 

পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রয়াত ইউপি সদস্য শহীদের গ্রুপের সঙ্গে ফেলু মিয়ার গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল। সোমবার সকালে স্থানীয় বাজারে ফেলু মিয়ার মেয়ের জামাই মামুন মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় প্রতিপক্ষের লোকজনের। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাদের মধ্যে হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে মামুন মিয়াসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া আউয়াল মিয়া ও পরশ মিয়াকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দা গুলশানারা কবীর বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন জনকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’