ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আপাতত বিবেচনায় রাখা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ১০তম কমিশন সভা শেষে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংসদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আপাতত বিবেচনায় না রাখার কথা উল্লেখ আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করেছি। বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আপাতত বিবেচনায় নিচ্ছি না। তারা রিজার্ভে থাকবে, একান্ত জরুরি না হলে তাদের নেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় ১০ শতাংশ রিজার্ভ প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা রাখা হবে। তবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে প্রয়োজনীয় সংখ্যার ১০৫ শতাংশ হারে।’
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর বিএনপি থেকে ইসলামী ব্যাংক ও সমমনা প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে ভোটের দায়িত্বে না রাখার দাবি জানানো হয়। দলটির প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ৩৬ দফা কার্যপত্র জমা দেয়। সেখানে ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ট্রাস্টসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ভোটগ্রহণ দায়িত্বে না রাখার দাবি জানানো হয়। বিএনপির অভিযোগ— এসব প্রতিষ্ঠান দলীয় প্রভাবাধীন এবং এদের নির্বাচন দায়িত্বে রাখলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
এদিকে গত ২৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামের কোনও সাংগঠনিক বা প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই।
রিপোর্টারের নাম 

























