ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

এক মাসের ব্যবধানে খুলনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

খুলনার রূপসায় এবার গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল ফেরদৌস হোসেনের (২৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নে শিয়ালী পুলিশ ক্যাম্প থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

ফেরদৌস হোসেন যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তার পুলিশ সদস্য নম্বর ১১৬৪।

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে খালিশপুর মুজগুন্নী হাইওয়ে পুলিশের খুলনা রিজওন নারী ব্যারাক থেকে কনস্টেবল মিমি খাতুনের (২৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিমি কুষ্টিয়া জেলার মো. নবীন বিশ্বাসের মেয়ে। তার মরদেহ নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে ছিল। তার মৃত্যুর কারণ কেউ জানাতে পারেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, কনস্টেবল ফেরদৌস হোসেন রূপসা উপজেলা ঘাটভোগের শিয়ালী পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে রাতে ক্যাম্পের বাথরুমের ভেতর কাপড় পেঁচিয়ে ফাঁস নেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা, ইরানের পাল্টা জবাবের ইঙ্গিত

এক মাসের ব্যবধানে খুলনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:৪১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনার রূপসায় এবার গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল ফেরদৌস হোসেনের (২৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নে শিয়ালী পুলিশ ক্যাম্প থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

ফেরদৌস হোসেন যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তার পুলিশ সদস্য নম্বর ১১৬৪।

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে খালিশপুর মুজগুন্নী হাইওয়ে পুলিশের খুলনা রিজওন নারী ব্যারাক থেকে কনস্টেবল মিমি খাতুনের (২৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিমি কুষ্টিয়া জেলার মো. নবীন বিশ্বাসের মেয়ে। তার মরদেহ নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে ছিল। তার মৃত্যুর কারণ কেউ জানাতে পারেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, কনস্টেবল ফেরদৌস হোসেন রূপসা উপজেলা ঘাটভোগের শিয়ালী পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে রাতে ক্যাম্পের বাথরুমের ভেতর কাপড় পেঁচিয়ে ফাঁস নেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।