মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যেকার সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিংহভাগই ইরানের নাগরিক, যেখানে দেশজুড়ে চালানো হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৫৫ জন।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় দেশটিতে হতাহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। রাজধানী তেহরানের নিলুফার স্কয়ারে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই হামলায় গান্ধী হাসপাতাল এবং একটি পুলিশ ভবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনা শিশুদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
টিআরটি ওয়ার্ল্ডের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ছাড়াও অন্যান্য দেশেও প্রাণহানি ঘটেছে। ইসরাইলে অন্তত ১০ জন, সিরিয়ায় ৪ জন, ইরাকে ২ জন, লেবাননে ৩১ জন, কুয়েতে ১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ জন এই সংঘর্ষের বলি হয়েছেন।
এদিকে, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি এবং দেশটির ভবিষ্যৎ সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বিবেচিত হাসান খোমেনি দেশবাসীকে এই সংকটময় মুহূর্তে রাস্তায় ও মসজিদে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “এক মুহূর্তের জন্যও রাস্তা ও মসজিদ ত্যাগ করবেন না। আমাদের শক্তি, জনগণের হৃদয় এবং জনগণের উপস্থিতিই আমাদের এখানে টিকিয়ে রেখেছে।” তাঁর এই বার্তা জনগণের মধ্যে ঐক্য ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















