যৌথবাহিনী অভিযানে যশোরের কেশবপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন পলাশসহ চার জন আটক হয়েছেন। ওই সময় বিদেশি পিস্তল, ধারালো অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটকরা হলেন- কেশবপুর পৌর শহরের ভোগতি নরেন্দ্রপুর এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে ও পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন পলাশ (৪০) ও তার ভাই আলম (৩৫), আলতাপোল গ্রামের নাজির বিশ্বাসের ছেলে উজ্জ্বল (৩৫) ও নতুন মূলগ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে রাসেল(৩০)। তাদের শুক্রবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযান চালানো হয়। ওই সময় আলমের বাড়ি তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল এবং অন্যদের কাছ থেকে গাঁজা, রামদা, চাইনিজ কুড়ালসহ দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
যশোরের মনিরামপুর-কেশবপুর সার্কেলের এএসপি ইমদাদুল হক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে আলমসহ চার জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে আলমের কাছ থেকে একটি পিস্তল এবং অন্যদের কাছ থেকে মাদকসহ দেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়। আটকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদকসহ তিনটি মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এই বিষয়ে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জাহাঙ্গীর হোসেন পলাশ কেশবপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। আটকের বিষয়ে শুনেছি। তবে বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠেনি। হঠাৎ এই অভিযোগ উঠায় সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পলাশের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে না। আমার মনে হয়, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























